প্রতিদিনের চট্টগ্রাম
সর্বশেষ
কক্সবাজারে নয়ন সাধু হত্যার সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিককে হুমকি, প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ।

কক্সবাজারে নয়ন সাধু হত্যার সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিককে হুমকি, প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ।

চাঞ্চল্যকর সন্ন্যাসী হত্যাকাণ্ডের সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ সারাবেলার স্টাফ রিপোর্টার ও স্থানীয় মাল্টিমিডিয়া সিজেএনের বার্তা সম্পাদক অন্তর দে বিশালকে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পরিচয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের প্রতিবাদে কক্সবাজারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেল ৪ টায় কক্সবাজার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।এর আগে কক্সবাজার পৌরসভা চত্বর থেকে সাংবাদিকদের একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশে কক্সবাজারে কর্মরত সাংবাদিকরা বলেন, সংবাদ প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিককে হুমকি, হয়রানি কিংবা মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখানো স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি আঘাত। প্রশাসনের পরিচয় ব্যবহার করে সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।সাংবাদিক জয় বৈদ্যর সঞ্চালনায় এবং ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন কক্সবাজার (ক্র্যাক) জেলার সভাপতি জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন কক্সবাজার (ক্র্যাক) এর সাধারণ সম্পাদক ও চ্যানেল ২৪-এর কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি আজিম নিহাদ,দৈনিক কক্সবাজারের স্টাফ রিপোর্টার তাজুল ইসলাম পলাশ, সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি আজিজ রাসেল, মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন কক্সবাজারের সভাপতি মোজাম্মেল হক, গ্রীন টিভির কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ খান, নিউজ ২৪-এর কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি ইরফান উদ্দিন, খেলাঘর কক্সবাজার জেলার সাধারণ সম্পাদক এম. জসিম উদ্দিন,  কক্সবাজার সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার আনোয়ার হোসেনসহ অনেকে।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক শংকর বড়ুয়া রুমি, মুহিব উল্লাহ মুহিব, সিরাজুল ইসলাম আজাদ, মিজানুর রহমান, জাহেদ হোসেন, তানভিরুল মিরাজ রিপন, আব্দু শুক্কুর, ওসমান গণী এলি, আরোজ ফারুক, মোহাম্মদ আরমান, ফয়সাল রিয়াদ, আশরাফ বিন ইউছুপ,  জাহাঙ্গীর আলম সেমস, জিয়াবুল ইসলাম কাজল, আব্দু রশিদ মানিক, রিয়াজ উদ্দিন রিয়াদ, এন. এ সাগর, সাজন বড়ুয়া সাজু, মোহাম্মদ ফরিদ, আজাদ, জহির আলম বাপ্পী, আরফাত সিকদার, নেজাম উদ্দিন, রাহুল মহাজন, শাহেদ হোসেন মুবিন, ইয়াছিন আরাফাত, রিকন বড়ুয়া, মোর্শেদুর রহমান, আরিফুল ইসলাম, মুক্তাদিল জয়, আব্দুল্লাহ আল ফরহাদ, সাঈদুর রহমান শিমুল, মামুন, সালাউদ্দিন, রাশেদুল ইসলাম, আরিয়ান বাপ্পী, এম. ফেরদৌস, শাহাবুদ্দিন, শফিকুর রহমান, নুরুন্নবী, স্বপন দে, মনসুর আলম মুন্না, মিশু দাশ গুপ্ত, মুরাদ, রহিম উদ্দিন, মনির, রাকিব আমির, সরওয়ার সাকিব, জালাল, শহিদুল ইমরান, ইরফান, রিয়াজ উদ্দিন, সোহেল সিকদার রানা, মুজিবুল ইসলাম নীরব, একরাম হোসাইন, হুজাইফ, আজমাইন হামিন, একরাম, কফিল উদ্দিন, শাহেদুল ইসলাম শহিদসহ আরও অনেকেই।উল্লেখ্য, প্রায় তিন মাস আগে কক্সবাজারের আলোচিত নয়ন সাধু হত্যাকাণ্ড নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেন সাংবাদিক অন্তর দে বিশাল ও তার টিম। দীর্ঘদিন পর ওই হত্যা মামলার তদন্তে আব্দু রহিম ওরফে একপিচ্চা নামে এক আসামিকে আটক করে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। ওই আটকের সংবাদও ফলোআপ করেন সাংবাদিক অন্তর দে বিশাল।এ ঘটনার সূত্র ধরে এক যুবক মুঠোফোনে সাংবাদিক অন্তর দে বিশালকে প্রশাসনের পরিচয়ে হুমকি দেন বলে অভিযোগ ওঠে। তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোসহ বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। ওই হুমকির কল রেকর্ড পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।হুমকির ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে সদর থানায় গেলে তা গ্রহণ না করে প্রত্যাহার করা হয় বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিক অন্তর দে বিশাল।পরে বিষয়টি কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এ.এন.এম সাজেদুর রহমানকে অবহিত করেন তিনি। এ সময় পুলিশ সুপার তাকে জিডি করতে হবে না বলে মন্তব্য করেন বলে জানান সাংবাদিক অন্তর। একইসঙ্গে ‘আপনাকে সংবাদ কে প্রকাশ করতে বলেছে’ এমন মন্তব্যও করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথোপকথনের ওই কল রেকর্ডও পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর কক্সবাজারে কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাংবাদিকরা এ ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।সাংবাদিকদের দাবি, সংবাদ প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিককে হুমকি দেওয়া কিংবা প্রশাসনের পরিচয় ব্যবহার করে ভয়ভীতি দেখানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ঘটনায় হুমকিদাতাকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি সাংবাদিক অন্তর দে বিশালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় কক্সবাজার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশ থেকে সাংবাদিকরা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা রক্ষা এবং হুমকিদাতাকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান কক্সবাজারে কর্মরত সাংবাদিক সমাজ।

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

 চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ছয় বছর বয়সী শিশু আবীর দেবনাথ মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলার আশা দিলেও, তার দিনমজুর বাবার পক্ষে সেই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই একমাত্র সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান মানুষের কাছে আকুতি জানিয়েছেন তার বাবা-মা। আবীর দেবনাথ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের শাহাব্দিনগর নাথপাড়ার রাজমিস্ত্রী শম্ভু দেবনাথের একমাত্র সন্তান। সম্প্রতি তাকে পারুয়া কাটাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু মাসখানেক আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরীক্ষায় তার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। সেই প্রায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩মসের ও বেশিদিন চিকিৎসা করেও কোনো উন্নতি হয়নি। তাই ডাক্তাররা বলেছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ইন্ডিয়াতে নিয়ে গেলে হয়তো ভালো হবে। তাই আবিরের পাসপোর্ট বানাতে ও চিকিৎসার খরচ যোগাড় করতে খেয়ে যাচ্ছেন দিনমজুর বাবা। আবীরের বাবা শম্ভু দেবনাথ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন দিনমজুর, সারাদিন কাজ করে যা আয় করি তা দিয়ে সংসারই চলে না। ছেলের চিকিৎসার জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, তা আমি কীভাবে জোগাড় করব? আমার একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে আমি সবার কাছে সাহায্য চাই। সবে ভর্তি হয়েছিল প্রথম শ্রেণিতে, ক্যান্সার কেড়ে নিচ্ছে আবীরের শৈশব ছেলের অসুস্থতার খবরে মা প্রায় বাকরুদ্ধ। তিনি জানান, তাদের এখন আর ছেলেকে নিয়ে কোনো স্বপ্ন নেই, শুধু তাকে বাঁচিয়ে রাখাই একমাত্র চিন্তা। সমাজের মানবিক মানুষের সামান্য সহযোগিতাই পারে শিশু আবীরের জীবন রক্ষা করতে। আবীরকে সাহায্য পাঠানোর জন্য: বিকাশ নম্বর (পার্সোনাল): ০১৮৭৬-৩৯০৮৪৭ *যোগাযোগের জন্য: ০১৬২২-৩০৯১৩৭

আংশিক কমিটি ঘোষণার এক বছর পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি পেল উত্তর জেলা ছাত্রদল, সদস্য ২৬১

আংশিক কমিটি ঘোষণার এক বছর পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি পেল উত্তর জেলা ছাত্রদল, সদস্য ২৬১

কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে দীর্ঘ প্রায় এক বছর পর অবশেষে ২৬১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি পেয়েছে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদল। আংশিক কমিটি ঘোষণার পর এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও তা বাস্তবায়ন হতে সময় লেগেছে দীর্ঘ সময়।সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ২৬১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেয়। ১৮ জুন কমিটি অনুমোদিত হলেও তা প্রকাশ করা হয় (শুক্রবার) ১৯ জুন।নতুন ঘোষিত কমিটিতে তকিবুল হাসান চৌধুরী তকী সভাপতি, গিয়াস উদ্দিন সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং সরোয়ার হোসেন রুবেল সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। মিনহাজ উদ্দিন টিটু সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সুজাউদ্দৌলা সজিব সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আছেন।পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে মোট ৪৫ জন সহ-সভাপতি, ৮৯ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ৫২ জন সহ-সাধারণ সম্পাদক, ৫৭ জন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন সম্পাদকীয় ও কার্যকরী পদে ২৬১ জন নেতা-কর্মীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।দীর্ঘ সময় পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সংগঠনের ভেতরে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও সময়ক্ষেপণ নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে নানা আলোচনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। অনেকেই বলছেন, সময়মতো পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন হলে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হতে পারত।তবে নতুন কমিটির নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, এই কমিটি চট্টগ্রাম উত্তর জেলায় ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে।এর আগে ২০২৫ সালের জুনে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। ওই সময় তকিবুল হাসান চৌধুরী তকীকে সভাপতি এবং সরোয়ার হোসেন রুবেলকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। সিনিয়র সহ-সভাপতি হন কাজী মো. সেলিম উদ্দিন।আংশিক কমিটিতে গিয়াস উদ্দিন, মাহবুবুর রহমান খান, মাহিন উদ্দিন, নাইম উদ্দিন মিনহাজ, গাজী আব্দুল মুবিন, রেজওয়ান করিম চৌধুরী রকি, হোসাইন মোহাম্মদ মাসুম ও আমজাদ হোসেন জিহানকে সহ-সভাপতি করা হয়। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মিনহাজ উদ্দিন টিটু এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নূর উদ্দিন হোসেন, বেলাল উদ্দিন মুন্না ও কাউসার উদ্দীন বাবুকে মনোনীত করা হয়। সাংগঠনিক সম্পাদক হন সুজাউদ্দৌলা সজিব এবং দফতর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান নাজিম উদ্দিন।সে সময় কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দিতে হবে। তবে সেই সময়সীমা অতিক্রম করে দীর্ঘ সময় পরই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হলো।

পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের বাজেটে বরাদ্ধের দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের বাজেটে বরাদ্ধের দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

 আজ বুধবার ০৩ জুন-২০২৬ সকাল ১১টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের পাশে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সভাপতি  ইঞ্জিনিয়ার বুলবুল চৌধুরীর সভাপতিত্বে  “বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যের অবসান চাই” শ্লোগান নিয়ে হিন্দু,  বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষ্য আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্ধ রাখার দাবিতে মানববন্ধন ও রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষ্য আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্ধ রাখার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা অজিতানন্দ মহাথেরো, বিপ্লবী ওয়ার্কর্স পার্টি, রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জননেতা জুঁই চাকমা, রাঙামাটি জেলা আইনজীবি সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি সিনিয়র আইনজীবি এডভোকেট শাহ্ আলম, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল রাঙামাটি জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সহ সভাপতি রবি বড়ুয়া। বক্তারা এসময় পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়য়া জনগোষ্ঠীকে অনগ্রসর জনগোষ্ঠী বা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী হিসাবে সরকার কর্তৃক গঠিত হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষ্যে আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্ধ রাখার দাবির পক্ষে সরকারের নীতি নির্ধারকদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির দাবির সাথে একাত্ত্বতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন।মানববন্ধন অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অপু বড়ুয়া। মানববন্ধন শেষে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষ্য আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্ধ রাখার দাবিতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে প্রদত্ত স্মারকলিপি গ্রহন করেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা অজিতানন্দ মহাথেরো, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি শিক্ষক পংকজ কুসুম বড়ুয়া, পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার বুলবুল চৌধুরী, সহ সভাপতি রবি বড়ুয়া, নয়ন বিকাশ বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক অপু বড়ুয়া, অর্থ সম্পাদক ডা. প্রকাশ চৌধুরী বড়ুয়া, যুব বিষয়ক সম্পাদক তেমিয় বড়ুয়া, কাউখালী উপজেলা কমিটির সভাপতি সাগর বড়ুয়া, কাউখালী উপজেলা কমিটির নেতা রন্টি বড়ুয়া, সুকান্ত বড়ুয়া, সুসময় বড়ুয়া, বাবু বড়ুয়া, রাঙামাটি পৌর কমিটির সভাপতি উদয়ন বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক সনেট চৌধুরী, পৌর কমিটির নেতা বাবু বড়ুয়া ও বসু বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশই শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ে দেয়: সাঈদ আল নোমান

পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশই শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ে দেয়: সাঈদ আল নোমান

চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেছেন, প্রত্যেক শিশুই সমানভাবে জন্মগ্রহণ করে। তবে তাদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার দায়িত্ব সমাজ ও পরিবারের। সন্তান যত সুন্দর পরিবেশে পড়াশোনা করবে এবং বেড়ে উঠবে, ততই তার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে।সোমবার (১ জুন) নগরীর হালিশহরের জেপি কনভেনশন হলে ডিসঅ্যাডভান্টেজড পিপলস অ্যাসোসিয়েশন (ডাপা) আয়োজিত শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সাঈদ আল নোমান বলেন, সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে বাবাদেরও মায়ের ভূমিকা পালন করতে হবে। শুধুমাত্র মায়েরা সন্তানকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে গিয়ে অনেক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়েন। পরিবার গঠনে বাবারও সমান দায়িত্ব রয়েছে। এজন্য শিক্ষা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা জরুরি।সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন এগিয়ে নিতে সহায়তার লক্ষ্যে ডাপা এ কর্মসূচির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর।সংস্থার সভাপতি কাজী মো. শাহ কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এসকে খোদা তোতন, চবি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এম আর চৌধুরী মিল্টন, নগর বিএনপির সদস্য মোশাররফ হোসেন ডিপ্টি, পাহাড়তলী থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জিয়া এবং মহানগর ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ আরিফুর রহমান মিটুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল-বাংলাদেশ (টিএলএমআই-নিউজিল্যান্ড)-এর সহযোগিতায় এবং ‘স্থিতিস্থাপক ডাপা’র জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রাম মহানগরীর ২৮০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সামগ্রীর পাশাপাশি ৩০০ টাকা এবং মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সামগ্রীর সঙ্গে ২ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়।প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাঈদ আল নোমান বলেন, শিক্ষা একটি মৌলিক অধিকার এবং শিক্ষার প্রসারে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডাপার এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলোর জন্য সহায়ক হবে।সভাপতির বক্তব্যে কাজী মো. শাহ কামাল বলেন, ডাপা দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ করে আসছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার অঙ্গীকার অব্যাহত থাকবে।অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা বলেন, এ সহায়তা তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহ জোগাবে এবং শিক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে। তারা ডাপার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।নিগার সুলতানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংস্থার কোষাধ্যক্ষ নাসিমা আক্তার, ম্যানেজার মো. আবুল কালাম ভূঁইয়া এবং এডমিন অফিসার রিয়াজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে ডাপার কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

 চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ছয় বছর বয়সী শিশু আবীর দেবনাথ মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলার আশা দিলেও, তার দিনমজুর বাবার পক্ষে সেই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই একমাত্র সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান মানুষের কাছে আকুতি জানিয়েছেন তার বাবা-মা। আবীর দেবনাথ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের শাহাব্দিনগর নাথপাড়ার রাজমিস্ত্রী শম্ভু দেবনাথের একমাত্র সন্তান। সম্প্রতি তাকে পারুয়া কাটাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু মাসখানেক আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরীক্ষায় তার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। সেই প্রায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩মসের ও বেশিদিন চিকিৎসা করেও কোনো উন্নতি হয়নি। তাই ডাক্তাররা বলেছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ইন্ডিয়াতে নিয়ে গেলে হয়তো ভালো হবে। তাই আবিরের পাসপোর্ট বানাতে ও চিকিৎসার খরচ যোগাড় করতে খেয়ে যাচ্ছেন দিনমজুর বাবা। আবীরের বাবা শম্ভু দেবনাথ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন দিনমজুর, সারাদিন কাজ করে যা আয় করি তা দিয়ে সংসারই চলে না। ছেলের চিকিৎসার জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, তা আমি কীভাবে জোগাড় করব? আমার একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে আমি সবার কাছে সাহায্য চাই। সবে ভর্তি হয়েছিল প্রথম শ্রেণিতে, ক্যান্সার কেড়ে নিচ্ছে আবীরের শৈশব ছেলের অসুস্থতার খবরে মা প্রায় বাকরুদ্ধ। তিনি জানান, তাদের এখন আর ছেলেকে নিয়ে কোনো স্বপ্ন নেই, শুধু তাকে বাঁচিয়ে রাখাই একমাত্র চিন্তা। সমাজের মানবিক মানুষের সামান্য সহযোগিতাই পারে শিশু আবীরের জীবন রক্ষা করতে। আবীরকে সাহায্য পাঠানোর জন্য: বিকাশ নম্বর (পার্সোনাল): ০১৮৭৬-৩৯০৮৪৭ *যোগাযোগের জন্য: ০১৬২২-৩০৯১৩৭

অনলাইন জরিপ
১১ আগস্ট ২০২৫, ০১:৫০ এএম
ঢাবিতে হল রাজনীতি বন্ধের দাবিতে মধ্যরাতে মিছিল করছে শিক্ষার্থীরা। আপনি কী চান?

ঢাবিতে হল রাজনীতি বন্ধের দাবিতে মধ্যরাতে মিছিল করছে শিক্ষার্থীরা। আপনি কী চান?

  হল রাজনীতি চলুক
  হল রাজনীতি বন্ধ হোক
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২৭ জন