প্রতিদিনের চট্টগ্রাম
সর্বশেষ
জামায়াতের মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় লন্ডনপ্রবাসী মাসুদুর রহমান

জামায়াতের মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় লন্ডনপ্রবাসী মাসুদুর রহমান

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ায় জোরালোভাবে মাঠে নেমেছে। দলীয় বিভিন্ন ফোরামে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের তালিকায় জোর আলোচনায় উঠে এসেছে লন্ডনপ্রবাসী মোহাম্মদ মাসুদুর রহমানের নাম।।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি ও অন্যান্য দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সক্ষম, এমন প্রার্থী বাছাইয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে জামায়াত। প্রার্থী নির্ধারণে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং আর্থিক সক্ষমতাকেও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৪-৫ জন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম আলোচনায় থাকলেও তাদের মধ্যে মাসুদুর রহমানকে ঘিরে আলোচনা বেশি হচ্ছে।দলীয় রোকনদের মধ্যেও তাঁকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে স্থানীয় পর্যায়ে অনেক নেতাকর্মী মেয়র পদে মাসুদুর রহমানকে সমর্থন করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাঁর পক্ষে সমর্থন জানিয়ে পোস্ট দিতে দেখা যাচ্ছে। তবে এখনো তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।*ছাত্রজীবনের সাংগঠনিক ভূমিকা*মাসুদুর রহমান ছাত্রজীবন থেকেই সংগঠনমুখী ছিলেন। তিনি ফটিকছড়ি সরকারি কলেজ শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০০৪-২০০৫ সালে ফটিকছড়ি থানা শাখার সেক্রেটারি এবং ২০০৬ সালে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। শহীদ কুতুব শাখা ও স্কুল শাখার বিভিন্ন দায়িত্বও পালন করেন তিনি। লন্ডনে যাওয়ার আগে চট্টগ্রাম উত্তর-পূর্ব জেলা শিক্ষা বিভাগের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।*গ্রাম থেকে লন্ডনের উচ্চশিক্ষা*মাসুদুর রহমান ফটিকছড়ি করোনেশন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ফটিকছড়ি সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে বিএসসি (অনার্স) সম্পন্ন করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে  কার্ডিফ মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ এবং এঞ্জেলিয়া রোসকিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিং বিষয়ে এমএ উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন।*পারিবারিক রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা*মাসুদুর রহমানের পরিবারও রাজনৈতিকভাবে পরিচিত। তাঁর বড় ভাই মরহুম মিজানুর রহমান ছাত্রশিবিরের সদস্য ছিলেন এবং চট্টগ্রাম জেলা ও ফটিকছড়ি উপজেলার বিভিন্ন কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সাবেক চট্টগ্রাম পূর্ব জেলা সভাপতিও ছিলেন।মেজ ভাই প্রকৌশলী মোহাম্মদ আইয়ুবও ছাত্রজীবনে শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি কম্পিউটার প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত।দলীয় সূত্র জানিয়েছে, পরিবারের সদস্যরা এখনো সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে সক্রিয় রয়েছেন।*লন্ডনে থেকেও মানুষের পাশে*লন্ডনে অবস্থান করেও মাসুদুর রহমান মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। কোভিড-১৯ পরিস্থিতি, বন্যাসহ বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, খেলাধুলার উন্নয়নে সহায়তা, এসব কার্যক্রমে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে।তিনি ‘লিম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’-এর ব্যানারে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়া লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত ‘আইওয়ার টিভি’র জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘চাটগাঁইয়া গফ’ পরিচালনা করেন এবং বিভিন্ন টকশোতে ফটিকছড়ির সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন।*প্রবাসে থেকেও স্থানীয় যোগাযোগ*দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকলেও এলাকার সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি এলাকায় সক্রিয় উপস্থিতি বজায় রেখেছেন।*সামাজিক কর্মকাণ্ড*রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত রয়েছেন মাসুদুর রহমান। স্থানীয়দের মতে, দরিদ্র মানুষের সহায়তা, শীতবস্ত্র বিতরণ, শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহযোগিতা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে অনুদান প্রদানের মতো কাজে তিনি নিয়মিত অংশ নেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগও তাঁর রয়েছে।*চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা*ফটিকছড়ির রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চললেও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এলে নির্বাচন আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে।মাসুদুর রহমান বলেন, আমি দীর্ঘদিন লন্ডনে থাকলেও সবসময় ফটিকছড়ি পৌরবাসীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, আমি দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করব। ফটিকছড়ি পৌরসভাকে একটি আধুনিক ও উন্নত ‘মিনি সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। মেয়র হিসেবে যে বেতন পাব, তা গরিব মানুষের কল্যাণে ব্যয় করব।জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ির এক দায়িত্বশীল নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মাসুদুর রহমানসহ একাধিক ব্যক্তির নাম আলোচনায় রয়েছে। শিগগিরই রোকনদের ভোটের মাধ্যমে মতামত নেওয়া হবে। এরপর দলীয়ভাবে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

 চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ছয় বছর বয়সী শিশু আবীর দেবনাথ মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলার আশা দিলেও, তার দিনমজুর বাবার পক্ষে সেই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই একমাত্র সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান মানুষের কাছে আকুতি জানিয়েছেন তার বাবা-মা। আবীর দেবনাথ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের শাহাব্দিনগর নাথপাড়ার রাজমিস্ত্রী শম্ভু দেবনাথের একমাত্র সন্তান। সম্প্রতি তাকে পারুয়া কাটাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু মাসখানেক আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরীক্ষায় তার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। সেই প্রায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩মসের ও বেশিদিন চিকিৎসা করেও কোনো উন্নতি হয়নি। তাই ডাক্তাররা বলেছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ইন্ডিয়াতে নিয়ে গেলে হয়তো ভালো হবে। তাই আবিরের পাসপোর্ট বানাতে ও চিকিৎসার খরচ যোগাড় করতে খেয়ে যাচ্ছেন দিনমজুর বাবা। আবীরের বাবা শম্ভু দেবনাথ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন দিনমজুর, সারাদিন কাজ করে যা আয় করি তা দিয়ে সংসারই চলে না। ছেলের চিকিৎসার জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, তা আমি কীভাবে জোগাড় করব? আমার একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে আমি সবার কাছে সাহায্য চাই। সবে ভর্তি হয়েছিল প্রথম শ্রেণিতে, ক্যান্সার কেড়ে নিচ্ছে আবীরের শৈশব ছেলের অসুস্থতার খবরে মা প্রায় বাকরুদ্ধ। তিনি জানান, তাদের এখন আর ছেলেকে নিয়ে কোনো স্বপ্ন নেই, শুধু তাকে বাঁচিয়ে রাখাই একমাত্র চিন্তা। সমাজের মানবিক মানুষের সামান্য সহযোগিতাই পারে শিশু আবীরের জীবন রক্ষা করতে। আবীরকে সাহায্য পাঠানোর জন্য: বিকাশ নম্বর (পার্সোনাল): ০১৮৭৬-৩৯০৮৪৭ *যোগাযোগের জন্য: ০১৬২২-৩০৯১৩৭

করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ : হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি

করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ : হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি

দেশব্যাপী সরকার ঘোষিত খাল খনন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার শিলক খালের দুই কিলোমিটার খাল খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সাংসদ বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টায় নিজ হাতে মাটি কেটে শিলক ইউনিয়নের মরা খালে এ খননের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বিএডিসি প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত উপজেলার ১০ নং পদুয়া ইউনিয়নের ত্রিপুরা সুন্দরী খালের ওপর নির্মিত বক্স কালভর্টের উদ্বোধন করেন।রাতে ত্রিপুরা সুন্দরী কালভার্ট উদ্বোধন শেষে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বিএডিসি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন হুমাম কাদের চৌধুরীবাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)র নির্বাহী প্রকৌশলী মোশারফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ও সহকারী প্রকৌশলী তমাল দাশের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি বলেন, 'কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে এবং স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে প্রয়াত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। উনার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার ধারা অব্যাহত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ১৬ মার্চ বাংলাদেশের ৫৩টি জেলায় একযোগে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।'তিনি আরও বলেন, রাঙ্গুনিয়ার প্রায় ৬০ ভাগ মানুষ এখনো কৃষক এবং মাটির উপর ভরসা করে জীবনযাপন করে। আলহামদুলিল্লাহ, এই খাল খনন প্রোগ্রামের মাধ্যমে উনি আমার কিছু কাজ সুবিধা করে দিয়েছে, যেটা আমি চিন্তা করেছিলাম নির্বাচনের আগে একাজে নামতে হবে, অনেক অফিসে অফিসে দৌড়াতে হবে, তাদেরকে গিয়ে বুঝাতে হবে যে,রাঙ্গুনিয়ার মধ্যে খাল খনন করা খুবই জরুরী। সে কাজ আমাকে আর করতে হচ্ছেনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে আজকে আমরা এই শিলক মরা খাল নতুন করে খনন করা হচ্ছে। যে সরাসরি গিয়ে ডং খালের সাথে কানেকশন পায়। তিনি বলেন, আপনারা অনেকেই বসে বসে আলাপ করেন, কাজগুলো দ্রুত হচ্ছে না কেন? আমি আপনাদের দেখাতে চাই, আমার নখের কালী একনো শুকায়নাই, তারেক রহমান সাহেব নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হয়েছে বেশীদিন হয়নি। কিন্তু এই বিশাল কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। এই কাজ দিয়ে আমরা বাংলাদেশের জনগণকে জানিয়ে দিতে চাই। আমরা খালি শ্লোগান দিইনা, মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, 'করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ' এই বিশ্বাস নিয়ে আগাচ্ছি, আশাকরি পাশে থাকবেন।হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, দুই মাস আগে আপনাদের সামনে ঘন ঘন আসতাম, লম্বা লম্বা বক্তৃতা দিতাম। এই বক্তৃতার মাধ্যমে আপনাদের কাছে এসে হাত পেতে ভিক্ষা চেয়েছি। বলেছিলাম, আপনারা যদি নির্বাচিত করেন, যদি ভরসা রাখেন। তাহলে সামনের পাঁচ বছর কাজ করবো। আপনাদের কথা সাংসদে বলে আমি পাঁচ বছর আপনাদের জন্য কাজ করতে চাই।তিনি আরও বলেন, রাস্তা খারাপ এই কথা আমাকে বলতে হবেনা। নির্বাচনের সময় এমন কোন রাস্তা বাকী রাখিনাই, যেটা দিয়ে আমি হাটিনাই। প্রত্যোকটা ভাঙা রাস্তা আমি নিজে দেখে এসেছি। যেখানে যেখানে ব্রীজ হওয়ার কথা ছিলো, কোমড় পর্যন্ত পানি হেটে পাড় হয়ে দেখে এসেছি।নিজ দলের নেতাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, যারা যারা নিজ এলাকা ও ইউনিয়নে নেতৃত্ব দিতে চাচ্ছেন, তাদেরকে আমি অনুরোধ করবো, আপনারা দায়িত্বপালন শুরু করে দেন। কারণ বক্তৃতা দিয়ে আর ভোট হবেনা। কাজের মাধ্যমে ভোট আসবে এবার। সামনে ইউনিয়ন নির্বাচন আসছে, এই নির্বাচনে আপনাদের কাজ যদি না দেখে, আপনাদেরকে কেউ ভোট দেবেনা। সেকারণে মাজা শক্ত করেন। কাজে নামতে হবে।তিনি আরও বলেন, রাঙ্গুনিয়ায় প্রথম বোধহয় ব্রীজ একটা বানানো হলো, যেখানে কাউকে চাঁদা দিতে হয় নাই, সময় অপচয় হয় নাই এবং সময়মতো ব্রীজ উদ্বোধন করতে পারলাম। এসম তিনি সকলে দোয়া চেয়ে বলেন, সামনের বার যখন এখানে আসবো, দোয়া করি গাড়ী চড়ে আসতে পারি। তাই শীঘ্রই  এই রাস্তার কাজ আমাদের ধরতে হবে। মিডিয়াকর্মীদের অবহিত করে তিনি বলেন, আপনারা কি জানেন, রাঙ্গুনিয়ায় ১শ' ভাগের মধ্যে কতভাগ রাস্তা পাকা হয়েছে? হিসাবে লেখা ২৭ ভাগ। বাস্তবে ২১ ভাগের উপরে হবেনা। আমার প্রশ্ন, এত বছর মন্ত্রী বসা ছিল, এ কি কাজ করলো। সতেরো বছর ধরে রাজত্ব করার পরে এই ব্রীজ কেন করতে পারলোনা।  পদুয়াতে নতুন হাসপাতাল নির্মাণে ওয়াদা করে তিনি বলেন, আজকে নতুন করে ওয়াদা করে যাচ্ছি, রাঙ্গুনিয়ায় যখন ঢুকবো। আশাকরি নতুন কিছু কাজ নিয়ে এসে ঢুকবো। কারণ খালি হাতে আস্তে আস্তে আমার কলিজা ভেঙ্গে যাচ্ছে। খালি হাতে আর আসবোনা। পদুয়ায় একটি ৫০ শয্যার হেলথ কমপ্লেক্স আছে, ওটাকে ১০০ শয্যা করার আবেদন করেছি, ইনশাআল্লাহ হয়ে যাবে। তবে এখান থেকে ওখানে যেতে যেতে রুগী মারা যাবে। সেকারণে পদুয়াতে আরেকটি হাসপাতাল নির্মাণের আবেদন করে এসেছি। কাপ্তাই সড়ক চার লাইনে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, আমার জানামতে গত ২০০/২৫ বছর ধরে সকলে শুধু কাপ্তাই সড়ক ৪ লাইনে করার ওয়াদা করে আসছে। সামনের সাপ্তাহে উদ্বোধন করছি, এই সড়ককে চার লাইনে বানিয়ে ছাড়বো। তবে আপনাদের কাছে আমার একটা চাওয়া আছে, আপনার এলাকার মধ্যে যারা মাদক ব্যবসায় আছে, তাদেরকে আপনাদের ধরিয়ে দিতে হবে। আপনারা জানেন কারা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত, তাদের তালিকা করে যদি প্রশাসনকে দিতে ভয় পান। তাহলে আমাকে দেন, বাকি ব্যবস্থা আমি৷ নেবো। রাঙ্গুনিয়ার উন্নয়ন থেমে থাকবে,যদি আমরা সমাজকে ঠিক না করতে পারি। আর সমাজকে ধ্বংস করছে এই মাদক ব্যবসায়ীরা।এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)র নির্বাহী প্রকৌশলী মোশারফ হোসেন ভূঁইয়ার বলেন, শিলক মরা খালের দুই কিলোমিটার এই খাল খননের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ লাখ টাকা।

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে / সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

সিটিজি ডেস্ক: ই -টিকেটিং প্ল্যাটফর্ম বিডিটিকেটস যুক্ত হলো দেশের জনপ্রিয় বাস সার্ভিস সৌদিয়া কোচ সার্ভিস। এর ফলে বাস কাউন্টারে লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা ছাড়াই ঘরে বসে অনলাইনে খুব সহজে সৌদিয়ার টিকেট কাটতে পারবেন যাত্রীরা। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন রুটে যাত্রীসেবা দিয়ে আসছে সৌদিয়া। যাত্রীসেবায় আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে ওঠা সৌদিয়া কোচ সার্ভিসের বাসগুলো বিভিন্ন রুটে নিয়মিত চলাচল করছে। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও বেনাপোল রুটে যাতায়াতে যাত্রীদের পছন্দের শীর্ষে আছে সৌদিয়ার বাস। বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সার্ভিস চার্জ থাকলেও বিডিটিকেটসে কোনো সার্ভিস চার্জ নেই। তাই সৌদিয়ার যাত্রীরা নির্ধারিত দামেই টিকেট কিনতে পারবেন কোনো রকম বাড়তি চার্জ ছাড়াই। এ বিষয়ে বিডিটিকেটসের হেড অব ক্যাম্পেইন শাফায়েত শাহনূর বলেন, “আমরা গ্রাহকসেবায় সদা সচেষ্ট। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় বাস অপারেটর সৌদিয়া আমাদের প্ল্যাটফর্মে আসা ছিল সময়ের দাবি। নতুন এই সংযোজন শুধু আসন্ন রমজান বা ঈদ নয় বরং বছরজুড়ে বাস টিকেট কেনা ও ভ্রমণ পরিকল্পনায় গ্রাহকদের সময় ও শ্রমের অপচয় কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”সৌদিয়া বাসে বরাবরের মতই থাকছে লাক্সারিয়াস সব সার্ভিস। এতে আছে এসি বাসে ফ্রি সেট মেনু সুবিধা, যা যে কোনো লং রুটের যাত্রায় যোগ করে বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য ও সন্তুষ্টি। সৌদিয়ার এসি ও নন-এসি দুই ধরনের কোচেই রয়েছে মার্সিডিজ-বেঞ্জ বাসের আরামদায়ক ভ্রমণ সুবিধা।বিডিটিকেটস (bdtickets) অ্যাপের মাধ্যমে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে কাটা যাবে সৌদিয়ার বাস টিকেট। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বিডিটিকেটসের ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটে (www.bdtickets.com)। এছাড়া ১৬৪৬০ নম্বরে কল করে সপ্তাহের সাত দিনই পাওয়া যাচ্ছে প্রয়োজনীয় সহায়তা।

ফটিকছড়ির ২৫০০ প্রান্তিক চাষির মাঝে  সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

ফটিকছড়ির ২৫০০ প্রান্তিক চাষির মাঝে সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক:ফটিকছড়ি উপজেলায় ২ হাজার ৫০০ প্রান্তিক চাষির মাঝে বিনামূল্যে সার ও আউশ ধানের বীজ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম-২ আসনের বেসরকারিভাবে বিজয়ী সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর। কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত ও কৃষি উৎপাদন বাড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।শনিবার (২৫ এপ্রিল) উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় খরিপ-১ মৌসুমে এ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি অফিসার আবু সালেক।প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরোয়ার আলমগীর বলেন, সার ও বীজ চাষিদের ন্যায্য অধিকার, এটি কারো দয়া নয়। কৃষি খাতকে এগিয়ে নিতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। কৃষকদের সহায়তায় খাল খনন, কৃষি কার্ড প্রদান এবং উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণের জন্য হিমাগার নির্মাণ করা হবে।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণ করে চাষিদের কল্যাণে কাজ করছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে যেমন কৃষিখাতে উন্নয়ন হয়েছে, তেমনি এবারও চাষিদের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছে এবং ফটিকছড়িতেও এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অনাবাদি জমিগুলোকে চাষের আওতায় আনা হবে এবং উৎপাদিত ফসল ও শাক-সবজি সংরক্ষণের জন্য স্বল্প ব্যয়ে, সহজলভ্য ও টেকসই পাঁচটি হিমাগার নির্মাণ করা হবে।স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কৃষিখাতে অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর হাত ধরেই দেশে কৃষি বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল এবং ফটিকছড়িতেও সেই ধারাবাহিকতায় কৃষি উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রবীণ বিএনপি নেতা আহমেদ হোসেন তালুকদার, উত্তর জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব নাজিম উদ্দীন শাহীন, উপজেলা বিএনপি সেক্রেটারি জহির আজম, বিআরডিবির পরিচালক মাহবুবুর রশিদ তালুকদার, উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন চৌধুরী এবং নাজিরহাট পৌরসভা কৃষক দলের আহ্বায়ক হাসানুল কবিরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ২ হাজার ৫০০ প্রান্তিক চাষির মাঝে ৫ কেজি আউশ ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক চাষি উপস্থিত ছিলেন।

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

 চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ছয় বছর বয়সী শিশু আবীর দেবনাথ মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলার আশা দিলেও, তার দিনমজুর বাবার পক্ষে সেই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই একমাত্র সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান মানুষের কাছে আকুতি জানিয়েছেন তার বাবা-মা। আবীর দেবনাথ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের শাহাব্দিনগর নাথপাড়ার রাজমিস্ত্রী শম্ভু দেবনাথের একমাত্র সন্তান। সম্প্রতি তাকে পারুয়া কাটাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু মাসখানেক আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরীক্ষায় তার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। সেই প্রায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩মসের ও বেশিদিন চিকিৎসা করেও কোনো উন্নতি হয়নি। তাই ডাক্তাররা বলেছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ইন্ডিয়াতে নিয়ে গেলে হয়তো ভালো হবে। তাই আবিরের পাসপোর্ট বানাতে ও চিকিৎসার খরচ যোগাড় করতে খেয়ে যাচ্ছেন দিনমজুর বাবা। আবীরের বাবা শম্ভু দেবনাথ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন দিনমজুর, সারাদিন কাজ করে যা আয় করি তা দিয়ে সংসারই চলে না। ছেলের চিকিৎসার জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, তা আমি কীভাবে জোগাড় করব? আমার একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে আমি সবার কাছে সাহায্য চাই। সবে ভর্তি হয়েছিল প্রথম শ্রেণিতে, ক্যান্সার কেড়ে নিচ্ছে আবীরের শৈশব ছেলের অসুস্থতার খবরে মা প্রায় বাকরুদ্ধ। তিনি জানান, তাদের এখন আর ছেলেকে নিয়ে কোনো স্বপ্ন নেই, শুধু তাকে বাঁচিয়ে রাখাই একমাত্র চিন্তা। সমাজের মানবিক মানুষের সামান্য সহযোগিতাই পারে শিশু আবীরের জীবন রক্ষা করতে। আবীরকে সাহায্য পাঠানোর জন্য: বিকাশ নম্বর (পার্সোনাল): ০১৮৭৬-৩৯০৮৪৭ *যোগাযোগের জন্য: ০১৬২২-৩০৯১৩৭

অনলাইন জরিপ
১১ আগস্ট ২০২৫, ০১:৫০ এএম
ঢাবিতে হল রাজনীতি বন্ধের দাবিতে মধ্যরাতে মিছিল করছে শিক্ষার্থীরা। আপনি কী চান?

ঢাবিতে হল রাজনীতি বন্ধের দাবিতে মধ্যরাতে মিছিল করছে শিক্ষার্থীরা। আপনি কী চান?

  হল রাজনীতি চলুক
  হল রাজনীতি বন্ধ হোক
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২৬ জন