প্রতিদিনের চট্টগ্রাম
সর্বশেষ
লন্ডনে গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে এমপি সরোয়ার আলমগীরের মতবিনিময়

লন্ডনে গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে এমপি সরোয়ার আলমগীরের মতবিনিময়

 লন্ডনে গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকের উদ্যোগে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সরোয়ার আলমগীর এমপির সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১০টায় পূর্ব লন্ডনের আড্ডা ঘর রেস্টুরেন্ট, ২৭০ রমফোর্ড রোড, লন্ডন E7 9HZ-এ এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে লন্ডনে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক চট্টগ্রামবাসীর পাশাপাশি বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা মোহাম্মদ হাসান।গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির আহ্বায়ক ব্যারিস্টার আবুল মনছুর মোহাম্মাদ শাহজাহানের সভাপতিত্বে এবং মাসুদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অ্যাসোসিয়েশনের ট্রাস্টি চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন।তিনি গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশনের বিভিন্ন কার্যক্রম, প্রবাসীদের কল্যাণে সংগঠনের ভূমিকা এবং চট্টগ্রামবাসীর বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশা নিয়ে আলোচনা করেন।সভায় আরও বক্তব্য দেন গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশনের ট্রাস্টি শওকত মাহমুদ টিপু, ট্রাস্টি মোহাম্মদ আলী রেজা, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব সুজন বড়ুয়া, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মাওলানা সায়েদ মোহাম্মদ ইমরান, মাওলানা জোনায়েদ সোবহান, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ মোন্না খালেক, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ ওমর গনি, কলম একাডেমি লন্ডনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নজরুল হাবিবী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও হেইচ অ্যান্ড হেইস গ্লোবাল এডুকেশনের পরিচালক শুভন হাসান, এমপি সরোয়ার আলমগীরের সন্তান মোহাম্মদ তানভীর, মোহাম্মদ আব্দুল হালিম, মোহাম্মদ জিয়াদ্দিন বাবলু, সায়েদ এ এম সাইফুল ইসলাম, সাজসোয়েদ রফিকুল ইসলাম, ফয়েজুর রহমান, মোহাম্মদ সিফাতসহ আরও অনেকে।এ সময় গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকের পক্ষ থেকে এমপি সরোয়ার আলমগীরকে ফুলের তোড়া দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।সভায় গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশনের ট্রাস্টি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। তিনি বিমানবন্দরসহ দেশে অবস্থানকালে প্রবাসীদের যথাযথ সম্মান, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।তিনি একই সঙ্গে নতুন কালুরঘাট সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত দৃশ্যমান করার জন্য চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত সকল সংসদ সদস্যকে সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।মতবিনিময় সভায় এমপি সরোয়ার আলমগীর বলেন, প্রবাসীদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে। দেশে যাতায়াতের সময় প্রবাসীরা যাতে যথাযথ সম্মান ও নিরাপত্তা পান, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।তিনি আরও বলেন, নতুন কালুরঘাট সেতুর নির্মাণকাজ দৃশ্যমান করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার কথাও জানান তিনি।সভাপতির বক্তব্যে গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকের আহ্বায়ক ব্যারিস্টার আবুল মনছুর মোহাম্মাদ শাহজাহান ব্যস্ততার মধ্যেও সময় করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ায় এমপি সরোয়ার আলমগীরকে ধন্যবাদ জানান।তিনি চট্টগ্রাম ও ফটিকছড়ির উন্নয়নে এমপি সরোয়ার আলমগীরের সার্বিক সফলতা কামনা করেন। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল অতিথি, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ ও চট্টগ্রামবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রামের উন্নয়ন, প্রবাসীদের সম্মান ও নিরাপত্তা, দেশে প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা এবং নতুন কালুরঘাট সেতু নির্মাণসহ চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

 চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ছয় বছর বয়সী শিশু আবীর দেবনাথ মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলার আশা দিলেও, তার দিনমজুর বাবার পক্ষে সেই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই একমাত্র সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান মানুষের কাছে আকুতি জানিয়েছেন তার বাবা-মা। আবীর দেবনাথ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের শাহাব্দিনগর নাথপাড়ার রাজমিস্ত্রী শম্ভু দেবনাথের একমাত্র সন্তান। সম্প্রতি তাকে পারুয়া কাটাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু মাসখানেক আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরীক্ষায় তার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। সেই প্রায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩মসের ও বেশিদিন চিকিৎসা করেও কোনো উন্নতি হয়নি। তাই ডাক্তাররা বলেছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ইন্ডিয়াতে নিয়ে গেলে হয়তো ভালো হবে। তাই আবিরের পাসপোর্ট বানাতে ও চিকিৎসার খরচ যোগাড় করতে খেয়ে যাচ্ছেন দিনমজুর বাবা। আবীরের বাবা শম্ভু দেবনাথ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন দিনমজুর, সারাদিন কাজ করে যা আয় করি তা দিয়ে সংসারই চলে না। ছেলের চিকিৎসার জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, তা আমি কীভাবে জোগাড় করব? আমার একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে আমি সবার কাছে সাহায্য চাই। সবে ভর্তি হয়েছিল প্রথম শ্রেণিতে, ক্যান্সার কেড়ে নিচ্ছে আবীরের শৈশব ছেলের অসুস্থতার খবরে মা প্রায় বাকরুদ্ধ। তিনি জানান, তাদের এখন আর ছেলেকে নিয়ে কোনো স্বপ্ন নেই, শুধু তাকে বাঁচিয়ে রাখাই একমাত্র চিন্তা। সমাজের মানবিক মানুষের সামান্য সহযোগিতাই পারে শিশু আবীরের জীবন রক্ষা করতে। আবীরকে সাহায্য পাঠানোর জন্য: বিকাশ নম্বর (পার্সোনাল): ০১৮৭৬-৩৯০৮৪৭ *যোগাযোগের জন্য: ০১৬২২-৩০৯১৩৭

ফেজবুক পোষ্ট দিয়ো বিএনপির রাজনীতি থেকে বিদায় নিলেন ওমান প্রবাসী খোকন

ফেজবুক পোষ্ট দিয়ো বিএনপির রাজনীতি থেকে বিদায় নিলেন ওমান প্রবাসী খোকন

ফেজবুক পোষ্ট দিয়ো বিএনপির রাজনীতি থেকে বিদায় নিলেন ওমান প্রবাসী খোকন নিজের ফেসবুক পোস্টে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা, আর কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত না থাকার সিদ্ধান্তপ্রবাসী প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে স্বেচ্ছায় ও সসম্মানে বিদায় নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ফটিকছড়ি জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ খোকন।শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি রাজনীতি থেকে সম্পূর্ণভাবে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক দল বা রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকার বিষয়টিও স্পষ্ট করেন তিনি।ফেসবুক পোস্টে ‘বিদায় প্রিয় দল এবং রাজনীতি’ শিরোনামে ফয়সাল আহমেদ খোকন লেখেন, দীর্ঘদিনের পথচলা, আবেগ, স্বপ্ন ও অসংখ্য স্মৃতির পর তাঁকে অত্যন্ত কঠিন একটি সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি স্বেচ্ছায় ও সম্মানের সঙ্গে তাঁর প্রিয় রাজনৈতিক সংগঠন বিএনপি থেকে বিদায় নিচ্ছেন।রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি ব্যক্তিগত চিন্তা, জীবনধারা ও সার্বিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক জীবন তাঁকে অনেক কিছু শিখিয়েছে এবং বহু মানুষের ভালোবাসা ও অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ করেছে। তবে জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে পথচলার ধরন পরিবর্তিত হয়। সবকিছু বিবেচনা করেই তিনি রাজনীতি থেকে পুরোপুরি সরে দাঁড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।পোস্টে নিজের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ফয়সাল আহমেদ খোকন। তিনি লেখেন, যে দলের সঙ্গে ভালোবাসা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন, সেই দলের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা সবসময় থাকবে। রাজনৈতিক পথচলায় যারা পাশে ছিলেন, ভালোবেসেছেন, গঠনমূলক সমালোচনা করেছেন কিংবা উৎসাহ দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি তিনি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।এ ছাড়া পথচলার কোনো পর্যায়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানান তিনি।রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ালেও দেশের প্রতি তাঁর শুভকামনা অব্যাহত থাকবে বলে পোস্টে উল্লেখ করেন ফয়সাল আহমেদ খোকন। তিনি লেখেন, রাজনীতিতে থাকুন বা না থাকুন, দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে তিনি সবসময় দেশের মঙ্গল কামনা করবেন।পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, ‘ভালো থাকুক প্রিয় দল, ভালো থাকুক প্রিয় বাংলাদেশ। সবাইকে ধন্যবাদ।’ফয়সাল আহমেদ খোকনের এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পথচলার অবসানের কথা সামনে এসেছে। তাঁর এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে, খোকনের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান সমাজে চাঁদাবাজি, শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন, চুরি-ডাকাতি, খুনসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, এসব ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও হতাশা তৈরি করছে। বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা, নারীর সুরক্ষা এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলে বর্তমান সরকার তা থেকে সম্পন্ন ব্যার্থ।তিনি মনে করেন, অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক অবস্থান কিংবা প্রভাব-প্রতিপত্তি বিবেচনা করে দায় মুক্তি দিচ্ছে। একই সঙ্গে অপরাধের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত না করা, ভুক্তভোগীকে আশ্বস্ত করে তা বাস্তবায়িত না করা সহ নানান অভিযোগ তার।ফয়সাল আহমেদ খোকনের বক্তব্যে আরও উঠে আসে, যখন অপরাধের যথাযথ বিচার হয় না কিংবা অপরাধীরা শাস্তির বাইরে থেকে যায়, তখন মানুষের মধ্যে আইন ও বিচারব্যবস্থা নিয়ে আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং দল-মতনির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।এর আগে তিনি আরেকটি পোষ্ট করে JusticeForHalima, শিশুদের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার চাই শোক ও সমবেদনা জানান। ঐ পোষ্টে তিনি লিখেন-ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।মাত্র তিন বছরের শিশু হালিমার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানাচ্ছি। এই হৃদয়বিদারক ঘটনা মেনে নেওয়া সত্যিই কঠিন।যে বয়সে একটি শিশুর হাসি, খুনসুটি আর ছোটাছুটিতে মুখর থাকার কথা পুরো পরিবার, যে বয়সে তার নিষ্পাপ হাসিতে আনন্দে ভরে ওঠার কথা ঘর—সেই বয়সেই আজ শিশু হালিমার নিথর দেহ উদ্ধারের খবর আমাদের গভীরভাবে মর্মাহত করেছে।মাত্র তিন বছরের ছোট্ট হালিমার কী অপরাধ ছিল? কেন তাকে এভাবে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হলো? কী ঘটেছিল তার সঙ্গে? এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা। তবে এই ঘটনা আমাদের মনে গভীর শোক, উদ্বেগ ও অসংখ্য প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।একটি নিষ্পাপ শিশুর এমন করুণ পরিণতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার মতো নয়। আমরা শিশু হালিমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ যেন পরিবারটিকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দান করেন। আমিন।আমাদের দাবি, এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করতে হবে। যদি কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে, তবে দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। আর কোনো শিশুর জীবন যেন এভাবে অকালে ঝরে না যায়।ছোট্ট হালিমার জন্য রইল গভীর শোক ও ভালোবাসা।এদিকে তার ফেজবুক গুরে দেখা যায়, তার রাজনীতির ক্যারিয়ারের শতশত ছবি।যেখানে বিভিন্ন মিটিং মিছিলে তার অংশগ্রহণ ছিলো চোখে পড়ার মতো।#JusticeForHalima #শিশুদের_নিরাপত্তা #ন্যায়বিচার_চাই #শোক_ও_সমবেদনা

পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের বাজেটে বরাদ্ধের দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের বাজেটে বরাদ্ধের দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

 আজ বুধবার ০৩ জুন-২০২৬ সকাল ১১টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের পাশে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সভাপতি  ইঞ্জিনিয়ার বুলবুল চৌধুরীর সভাপতিত্বে  “বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যের অবসান চাই” শ্লোগান নিয়ে হিন্দু,  বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষ্য আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্ধ রাখার দাবিতে মানববন্ধন ও রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষ্য আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্ধ রাখার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা অজিতানন্দ মহাথেরো, বিপ্লবী ওয়ার্কর্স পার্টি, রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জননেতা জুঁই চাকমা, রাঙামাটি জেলা আইনজীবি সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি সিনিয়র আইনজীবি এডভোকেট শাহ্ আলম, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল রাঙামাটি জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সহ সভাপতি রবি বড়ুয়া। বক্তারা এসময় পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়য়া জনগোষ্ঠীকে অনগ্রসর জনগোষ্ঠী বা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী হিসাবে সরকার কর্তৃক গঠিত হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষ্যে আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্ধ রাখার দাবির পক্ষে সরকারের নীতি নির্ধারকদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির দাবির সাথে একাত্ত্বতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন।মানববন্ধন অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অপু বড়ুয়া। মানববন্ধন শেষে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষ্য আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্ধ রাখার দাবিতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে প্রদত্ত স্মারকলিপি গ্রহন করেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা অজিতানন্দ মহাথেরো, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি শিক্ষক পংকজ কুসুম বড়ুয়া, পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার বুলবুল চৌধুরী, সহ সভাপতি রবি বড়ুয়া, নয়ন বিকাশ বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক অপু বড়ুয়া, অর্থ সম্পাদক ডা. প্রকাশ চৌধুরী বড়ুয়া, যুব বিষয়ক সম্পাদক তেমিয় বড়ুয়া, কাউখালী উপজেলা কমিটির সভাপতি সাগর বড়ুয়া, কাউখালী উপজেলা কমিটির নেতা রন্টি বড়ুয়া, সুকান্ত বড়ুয়া, সুসময় বড়ুয়া, বাবু বড়ুয়া, রাঙামাটি পৌর কমিটির সভাপতি উদয়ন বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক সনেট চৌধুরী, পৌর কমিটির নেতা বাবু বড়ুয়া ও বসু বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ফ্যাসিবাদী শক্তি আবারও ফিরে আসলে দায় জামায়াতে ইসলামীকে নিতে : প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

ফ্যাসিবাদী শক্তি আবারও ফিরে আসলে দায় জামায়াতে ইসলামীকে নিতে : প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

ফ্যাসিবাদী শক্তি আবারও ফিরে আসলে দায় জামায়াতে ইসলামীকে নিতে : প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদবিরোধী দল দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন না করলে এবং সেই সুযোগে ফ্যাসিবাদী শক্তি আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে এর দায় জামায়াতে ইসলামীকে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে ফরিদপুরের নগরকান্দায় দেশজুড়ে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতার প্রতিবাদে বিএনপির আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।শামা ওবায়েদ বলেন, ১৭ বছর ধরে নির্যাতন, হামলা-মামলা ও গুমের ঘটনা দেখেছেন তাঁরা। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর দেশ যখন স্থিতিশীলতার দিকে এগোচ্ছে, তখন আবারও ফ্যাসিবাদী শক্তি মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।তিনি বলেন, বিরোধী দল দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন না করলে ফ্যাসিবাদী শক্তির ফিরে আসার সুযোগ তৈরি হতে পারে। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে জামায়াতকে দায় নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিদ্যুৎ খাতের বিষয়ে শামা ওবায়েদ অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ খাতে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে। তাঁর দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও এ খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। বর্তমান সরকার দেশের নিজস্ব সম্পদ কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি।বিএনপির নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দলের ভেতরে যেন স্বৈরাচারী শক্তি প্রবেশ করে ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান রক্ষায়ও বিএনপি অবস্থান নেবে বলে জানান তিনি।বিক্ষোভ মিছিলটি নগরকান্দা সদর পেট্রল পাম্প থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। পরে নগরকান্দা এমএন একাডেমি মাঠে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়। এতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

 চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ছয় বছর বয়সী শিশু আবীর দেবনাথ মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলার আশা দিলেও, তার দিনমজুর বাবার পক্ষে সেই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই একমাত্র সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান মানুষের কাছে আকুতি জানিয়েছেন তার বাবা-মা। আবীর দেবনাথ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের শাহাব্দিনগর নাথপাড়ার রাজমিস্ত্রী শম্ভু দেবনাথের একমাত্র সন্তান। সম্প্রতি তাকে পারুয়া কাটাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু মাসখানেক আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরীক্ষায় তার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। সেই প্রায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩মসের ও বেশিদিন চিকিৎসা করেও কোনো উন্নতি হয়নি। তাই ডাক্তাররা বলেছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ইন্ডিয়াতে নিয়ে গেলে হয়তো ভালো হবে। তাই আবিরের পাসপোর্ট বানাতে ও চিকিৎসার খরচ যোগাড় করতে খেয়ে যাচ্ছেন দিনমজুর বাবা। আবীরের বাবা শম্ভু দেবনাথ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন দিনমজুর, সারাদিন কাজ করে যা আয় করি তা দিয়ে সংসারই চলে না। ছেলের চিকিৎসার জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, তা আমি কীভাবে জোগাড় করব? আমার একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে আমি সবার কাছে সাহায্য চাই। সবে ভর্তি হয়েছিল প্রথম শ্রেণিতে, ক্যান্সার কেড়ে নিচ্ছে আবীরের শৈশব ছেলের অসুস্থতার খবরে মা প্রায় বাকরুদ্ধ। তিনি জানান, তাদের এখন আর ছেলেকে নিয়ে কোনো স্বপ্ন নেই, শুধু তাকে বাঁচিয়ে রাখাই একমাত্র চিন্তা। সমাজের মানবিক মানুষের সামান্য সহযোগিতাই পারে শিশু আবীরের জীবন রক্ষা করতে। আবীরকে সাহায্য পাঠানোর জন্য: বিকাশ নম্বর (পার্সোনাল): ০১৮৭৬-৩৯০৮৪৭ *যোগাযোগের জন্য: ০১৬২২-৩০৯১৩৭

অনলাইন জরিপ
১১ আগস্ট ২০২৫, ০১:৫০ এএম
ঢাবিতে হল রাজনীতি বন্ধের দাবিতে মধ্যরাতে মিছিল করছে শিক্ষার্থীরা। আপনি কী চান?

ঢাবিতে হল রাজনীতি বন্ধের দাবিতে মধ্যরাতে মিছিল করছে শিক্ষার্থীরা। আপনি কী চান?

  হল রাজনীতি চলুক
  হল রাজনীতি বন্ধ হোক
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২৮ জন