প্রতিদিনের চট্টগ্রাম
বালু ব্যবসা এখন হাতবদল হয়েছে, স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে- হুমাম কাদের এমপি

বালু ব্যবসা এখন হাতবদল হয়েছে, স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে- হুমাম কাদের এমপি

বালু ব্যবসা এখন হাতবদল হয়েছে, স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে- হুমাম কাদের এমপি

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী বলেছেন, নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকার রয়েছে এবং তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, গায়ের জোরে নয়, আইনের মাধ্যমেই বালু উত্তোলন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নদী রক্ষা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজমুল হাসান।হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, গত ১৬ বছর যারা বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ছিল এবং গত ১৮ মাস যারা বালু ব্যবসা দেখভাল করেছে, তাদের সময়েও কার্যক্রম বন্ধ হয়নি, কেবল হাতবদল হয়েছে। বালু উত্তোলন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা গেলে তা রাঙ্গুনিয়ার জন্য একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।সভায় আরও বক্তব্য দেন রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আরমান হোসেন, দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ হিলাল উদ্দিন আহমদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, পানি উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রামের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সামশুল আরেফিন, উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউল করিম, মৎস্য কর্মকর্তা সুজাত কুমার চৌধুরী, উপজেলা নদী রক্ষা কমিটির সদস্য শওকত আলী নূর, মো. ইউনুছ মিয়া,আব্বাস হোসাইন আফতাব প্রমুখ।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

শনিবার (২৪ মে) সকালে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনে দেশের প্রথম ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, ‘নতুন নোটে থাকবে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ঈদে বাজারে প্রথমে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট আসবে।’টাঁকশাল থেকে জানা গেছে, ২০ টাকার নোট ছাপা প্রায় সম্পন্ন। আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর পরে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংককে বুঝিয়ে দেবে টাঁকশাল। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে এই টাকা কবে বাজারে আসবে।টাঁকশাল জানিয়েছে, নতুন নকশার নোট ছাপাতে ১ থেকে দেড় বছর সময় লাগে। আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এই সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় টাঁকশাল চলতি মাসে নতুন নকশার নোট ছাপানো শুরু করে।টাঁকশাল আরও জানায়, একসঙ্গে ৩টি নোটের বেশি ছাপানোর সক্ষমতা নেই টাঁকশালের। তাই প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে।এদিকে গভর্নর জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ায় তা ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ ফ্রিজ করায় অর্থ ফেরত আনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’গভর্নর বলেন, ‘স্কিমের আওতায় পিকেএসএফ অংশীদার এমএফআই গুলোকে ২৪০ কোটি টাকার রিজার্ভ তহবিল ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণ গ্যারান্টি দেবে। ঋণের গ্যারান্টি অনুযায়ী এককালীন ০.৫ শতাংশ কমিশন আদায় করা হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ হবে।’

গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউকে’র উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউকে’র উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত / গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউকে’র উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্ক: গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউকে’র উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ইস্ট লন্ডনের (IVY) মিলনায়তনে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এক জমকালো আয়োজনে এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউকের কনভেনর আবুল মুনছুর শাহজাহান। ট্রাস্টি মোহাম্মদ আলী রেজা এবং সাবেক ট্রেজারার মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডনের ডেপুটি হাইকমিশনার ড. নজরুল ইসলাম।ইফতার মাহফিলে গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউকের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও চট্টগ্রামবাসীসহ প্রায় দুই শতাধিক ব্যক্তি ইফতারে অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন মিলানো জামে মসজিদের খতিব মাওলানা জোনাইদ সোবহান। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মোহাম্মদ ওমর ইসহাক চৌধুরী ও শাহিন মোস্তফিজুর রহমান।ইফতার মাহফিলকে উৎসবমুখর করে তুলতে ইসলামিক নাশিদ পরিবেশন করেন সঙ্গীতশিল্পী জাহেদুল আলম মাসুদ।ইফতারের পূর্বে বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন, শওকত মাহমুদ টিপু, ব্যারিস্টার আবুল মুনছুর শাহজাহান, কাউন্সিলর ফিরোজ গনি, মনির মাহমুদ, মোহাম্মদ আলী রেজা, মো. ইসহাক চৌধুরী, মোহাম্মদ কায়ছার, সুজন বড়ুয়া, অ্যাকাউন্ট্যান্ট রাজ্জাকুল হায়দার বাপ্পী, অ্যাকাউন্ট্যান্ট অনুপম শাহ, মো. মাসুদুর রহমান, শেখ নেজাম উদ্দিন, শহীদুল ইসলাম, মো. ইব্রাহিম জাহান, শওকত ওসমান, আসমা আক্তার, ফয়সাল আনোয়ার নদভী, মোহাম্মদ মাহাবুবুল আলম, জাহেদুল আলম মাসুদ, পিয়াস বড়ুয়া প্রমুখ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কানেক্ট বাংলাদেশ গ্লোবাল, গ্রেটার ঢাকা সমিতি, বাংলাদেশ সলিসিটরস সোসাইটি, কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন, সীতাকুণ্ড সমিতি, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইউকে, সন্দ্বীপ সমিতি, চট্টগ্রাম কেন্ট সমিতি ও চট্টগ্রাম ক্লাব ইউকেসহ অন্যান্য সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ ও জিসিএ সদস্যবৃন্দ।ইফতার মাহফিলে আগত অতিথিদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সভাপতি আবুল মুনছুর শাহজাহান।প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন ড. নজরুল ইসলাম।ইফতারের পূর্বে গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউকের সদস্যবৃন্দের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ, বিশ্বশান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

অনলাইন জরিপ
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন