প্রতিদিনের চট্টগ্রাম
সর্বশেষ
গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে রাঙামাটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, রাঙামাটি জেলা কমিটি

গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে রাঙামাটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, রাঙামাটি জেলা কমিটি

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি কর্তৃক আয়োজিত রাঙামাটিতে ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের দুই বর্ষপূর্তিতে নেতৃবৃন্দ ও জুলাই যোদ্ধাদের অংশ গ্রহনে “ফিরে দেখা রক্তঝরা জুলাই-আগস্ট প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি শীর্ষক “কথকতা”  অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত  ৫ আগস্ট. ২০২৬ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে রাঙামাটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শহীদ-দের স্মরণ করেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, রাঙামাটি জেলা কমিটি নেতৃবৃন্দ।এর পর সকাল  ১০টায়  রাঙামাটি শিশু একাডেমী হল রুমে ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের দুই বর্ষপূর্তিতে নেতৃবৃন্দ ও জুলাই যোদ্ধাদের অংশ গ্রহনে “ফিরে দেখা রক্তঝরা জুলাই-আগস্ট প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি শীর্ষক “কথকতা” (আলোচনা সভা) বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।“ফিরে দেখা রক্তঝরা জুলাই-আগস্ট প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি শীর্ষক “কথকতা”  অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিল।এছাড়া আলোচক হিসাবে আরো উপস্থিত ছিলেন কোটা বিরোধী ঐক্য জোট এর প্রধান উপদেষ্টা মো. কামাল উদ্দিন, জেলা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শাহিদা আক্তার, রাঙামাটি সাংবাদিক ইউনিয়ন এর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোলায়মান, বাংলাদেশ মানবিধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি আব্দুল মান্নান রানা।রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিল বলেন, যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, তারাই গণতন্ত্র রক্ষার জন্য ২০২৪ ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণ-অভ্যুত্থান করেছেন। কোটা বিরোধী ঐক্য জোট এর প্রধান উপদেষ্টা মো. কামাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের গণক্ষোভ গণবিষ্ফরণে পরিনত হয়ে ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থান সংগঠিত হয়েছে। সুতরাং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস এর প্রতি সকলের শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে। জেলা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শাহিদা আক্তার বলেন, স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশের আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কে সু-চিকিৎসার সুযোগ পর্যন্ত দেয়নি। সাংবাদিক ইউনিয়ন এর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ভিন্নমত থাকতে পারে, কিন্তু এদেশে আর যেন কোন সাধারণ মানুষ নির্যাতনের শিকার না হয়, বৈষম্যের শিকার না হয়। বাংলাদেশ মানবিধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি আব্দুল মান্নান রানা বলেন, ২০২৪ ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণ-অভ্যুত্থান চলাকালিন আওয়ামীলীগের লোকজনেরা শত-শত মানবধিকার লঙ্গন করেছে, তার প্রমান আন্তর্জাতিক মানবধিকার কমিশনের কাছে আছে। অনুষ্ঠানের সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলন বলেন, রাঙামাটিতে প্রত্যকটি প্রশাসনে এখনো স্বৈরাচারের দোসরা গুপ্তভাবে বসে আছে। তারা প্রশাসনের চেয়ারে বসে স্বৈরাচারের দোসরদের বিভিন্ন ভাবে প্রতিষ্ঠা করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার সংবাদ জনগণ শোনতে পাচ্ছে। দ্রুততম সময়ের ভিতর স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগের সময়কালিন নিয়োগ প্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপসারন করে জেলার প্রতিটি প্রশাসন গণমূখি করে তোলার সরকারের নীতি নির্ধারকদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এছাড়া তিনি রক্তঝরা জুলাই-আগস্ট প্রত্যাশা পূরণে গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষের ছাত্র, শ্রমিক, সকল সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক দল সমুহকে ঐক্যৈবদ্ধ ভাবে স্বৈরাচার বিরোধী কাজ করার আহবান জানান নির্মল বড়ুয়া মিলন। ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের দুই বর্ষপূর্তিতে নেতৃবৃন্দ ও জুলাই যোদ্ধাদের অংশ গ্রহনে “ফিরে দেখা রক্তঝরা জুলাই-আগস্ট প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি শীর্ষক “কথকতা” অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুঁই চাকমা।এসময় পার্টির সাবেক সভাপতি মো. আবুল হাসেম, জেলা বিএনপির সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মনোয়ারা বেগম, পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন রাঙামাটি জেলা কমিটির অর্থ সম্পাদক ডা. প্রকাশ চৌধুরী বড়ুয়া, পার্টির বাঘাইছড়ি উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইকো চাকমা, জেলা কমিটির সদস্য অরুনজিতা চাকমা, নিখিল চাকমা, উদয়শংকর চাকমা, যুব সংহতির সাইমুন ইসলামসহ জেলা কমিটির এবং রাঙামাটি ভূমিহীন সংহতির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, “ফিরে দেখা রক্তঝরা জুলাই-আগস্ট প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি শীর্ষক “কথকতা” অনুষ্ঠান শেষে গত  ৩ আগস্ট বাংলাদেশ শিশু একাডেমী কর্তৃক আয়োজিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এসময় নির্মল বড়ুয়া মিলন সম্পাদিত রক্তেভেজা গণ-অভ্যুত্থান : পাহাড়ের বৈমষ্য বইটি প্রথম পুরস্কার প্রাপ্তদের মধ্যে উপহার দেন। বিকাল ৫টায় ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতনের দুই বর্ষপূর্তিতে শহীদদের স্মরণে রাঙামাটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রদীপ প্রজ্বলন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

 চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ছয় বছর বয়সী শিশু আবীর দেবনাথ মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলার আশা দিলেও, তার দিনমজুর বাবার পক্ষে সেই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই একমাত্র সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান মানুষের কাছে আকুতি জানিয়েছেন তার বাবা-মা। আবীর দেবনাথ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের শাহাব্দিনগর নাথপাড়ার রাজমিস্ত্রী শম্ভু দেবনাথের একমাত্র সন্তান। সম্প্রতি তাকে পারুয়া কাটাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু মাসখানেক আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরীক্ষায় তার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। সেই প্রায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩মসের ও বেশিদিন চিকিৎসা করেও কোনো উন্নতি হয়নি। তাই ডাক্তাররা বলেছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ইন্ডিয়াতে নিয়ে গেলে হয়তো ভালো হবে। তাই আবিরের পাসপোর্ট বানাতে ও চিকিৎসার খরচ যোগাড় করতে খেয়ে যাচ্ছেন দিনমজুর বাবা। আবীরের বাবা শম্ভু দেবনাথ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন দিনমজুর, সারাদিন কাজ করে যা আয় করি তা দিয়ে সংসারই চলে না। ছেলের চিকিৎসার জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, তা আমি কীভাবে জোগাড় করব? আমার একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে আমি সবার কাছে সাহায্য চাই। সবে ভর্তি হয়েছিল প্রথম শ্রেণিতে, ক্যান্সার কেড়ে নিচ্ছে আবীরের শৈশব ছেলের অসুস্থতার খবরে মা প্রায় বাকরুদ্ধ। তিনি জানান, তাদের এখন আর ছেলেকে নিয়ে কোনো স্বপ্ন নেই, শুধু তাকে বাঁচিয়ে রাখাই একমাত্র চিন্তা। সমাজের মানবিক মানুষের সামান্য সহযোগিতাই পারে শিশু আবীরের জীবন রক্ষা করতে। আবীরকে সাহায্য পাঠানোর জন্য: বিকাশ নম্বর (পার্সোনাল): ০১৮৭৬-৩৯০৮৪৭ *যোগাযোগের জন্য: ০১৬২২-৩০৯১৩৭

আংশিক কমিটি ঘোষণার এক বছর পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি পেল উত্তর জেলা ছাত্রদল, সদস্য ২৬১

আংশিক কমিটি ঘোষণার এক বছর পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি পেল উত্তর জেলা ছাত্রদল, সদস্য ২৬১

কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে দীর্ঘ প্রায় এক বছর পর অবশেষে ২৬১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি পেয়েছে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদল। আংশিক কমিটি ঘোষণার পর এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও তা বাস্তবায়ন হতে সময় লেগেছে দীর্ঘ সময়।সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ২৬১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেয়। ১৮ জুন কমিটি অনুমোদিত হলেও তা প্রকাশ করা হয় (শুক্রবার) ১৯ জুন।নতুন ঘোষিত কমিটিতে তকিবুল হাসান চৌধুরী তকী সভাপতি, গিয়াস উদ্দিন সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং সরোয়ার হোসেন রুবেল সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। মিনহাজ উদ্দিন টিটু সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সুজাউদ্দৌলা সজিব সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আছেন।পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে মোট ৪৫ জন সহ-সভাপতি, ৮৯ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ৫২ জন সহ-সাধারণ সম্পাদক, ৫৭ জন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন সম্পাদকীয় ও কার্যকরী পদে ২৬১ জন নেতা-কর্মীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।দীর্ঘ সময় পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সংগঠনের ভেতরে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও সময়ক্ষেপণ নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে নানা আলোচনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। অনেকেই বলছেন, সময়মতো পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন হলে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হতে পারত।তবে নতুন কমিটির নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, এই কমিটি চট্টগ্রাম উত্তর জেলায় ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে।এর আগে ২০২৫ সালের জুনে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। ওই সময় তকিবুল হাসান চৌধুরী তকীকে সভাপতি এবং সরোয়ার হোসেন রুবেলকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। সিনিয়র সহ-সভাপতি হন কাজী মো. সেলিম উদ্দিন।আংশিক কমিটিতে গিয়াস উদ্দিন, মাহবুবুর রহমান খান, মাহিন উদ্দিন, নাইম উদ্দিন মিনহাজ, গাজী আব্দুল মুবিন, রেজওয়ান করিম চৌধুরী রকি, হোসাইন মোহাম্মদ মাসুম ও আমজাদ হোসেন জিহানকে সহ-সভাপতি করা হয়। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মিনহাজ উদ্দিন টিটু এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নূর উদ্দিন হোসেন, বেলাল উদ্দিন মুন্না ও কাউসার উদ্দীন বাবুকে মনোনীত করা হয়। সাংগঠনিক সম্পাদক হন সুজাউদ্দৌলা সজিব এবং দফতর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান নাজিম উদ্দিন।সে সময় কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দিতে হবে। তবে সেই সময়সীমা অতিক্রম করে দীর্ঘ সময় পরই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হলো।

পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের বাজেটে বরাদ্ধের দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের বাজেটে বরাদ্ধের দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

 আজ বুধবার ০৩ জুন-২০২৬ সকাল ১১টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের পাশে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সভাপতি  ইঞ্জিনিয়ার বুলবুল চৌধুরীর সভাপতিত্বে  “বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যের অবসান চাই” শ্লোগান নিয়ে হিন্দু,  বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষ্য আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্ধ রাখার দাবিতে মানববন্ধন ও রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষ্য আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্ধ রাখার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা অজিতানন্দ মহাথেরো, বিপ্লবী ওয়ার্কর্স পার্টি, রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জননেতা জুঁই চাকমা, রাঙামাটি জেলা আইনজীবি সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি সিনিয়র আইনজীবি এডভোকেট শাহ্ আলম, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল রাঙামাটি জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সহ সভাপতি রবি বড়ুয়া। বক্তারা এসময় পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়য়া জনগোষ্ঠীকে অনগ্রসর জনগোষ্ঠী বা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী হিসাবে সরকার কর্তৃক গঠিত হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষ্যে আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্ধ রাখার দাবির পক্ষে সরকারের নীতি নির্ধারকদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির দাবির সাথে একাত্ত্বতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন।মানববন্ধন অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অপু বড়ুয়া। মানববন্ধন শেষে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষ্য আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্ধ রাখার দাবিতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে প্রদত্ত স্মারকলিপি গ্রহন করেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা অজিতানন্দ মহাথেরো, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি শিক্ষক পংকজ কুসুম বড়ুয়া, পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার বুলবুল চৌধুরী, সহ সভাপতি রবি বড়ুয়া, নয়ন বিকাশ বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক অপু বড়ুয়া, অর্থ সম্পাদক ডা. প্রকাশ চৌধুরী বড়ুয়া, যুব বিষয়ক সম্পাদক তেমিয় বড়ুয়া, কাউখালী উপজেলা কমিটির সভাপতি সাগর বড়ুয়া, কাউখালী উপজেলা কমিটির নেতা রন্টি বড়ুয়া, সুকান্ত বড়ুয়া, সুসময় বড়ুয়া, বাবু বড়ুয়া, রাঙামাটি পৌর কমিটির সভাপতি উদয়ন বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক সনেট চৌধুরী, পৌর কমিটির নেতা বাবু বড়ুয়া ও বসু বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশই শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ে দেয়: সাঈদ আল নোমান

পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশই শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ে দেয়: সাঈদ আল নোমান

চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেছেন, প্রত্যেক শিশুই সমানভাবে জন্মগ্রহণ করে। তবে তাদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার দায়িত্ব সমাজ ও পরিবারের। সন্তান যত সুন্দর পরিবেশে পড়াশোনা করবে এবং বেড়ে উঠবে, ততই তার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে।সোমবার (১ জুন) নগরীর হালিশহরের জেপি কনভেনশন হলে ডিসঅ্যাডভান্টেজড পিপলস অ্যাসোসিয়েশন (ডাপা) আয়োজিত শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সাঈদ আল নোমান বলেন, সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে বাবাদেরও মায়ের ভূমিকা পালন করতে হবে। শুধুমাত্র মায়েরা সন্তানকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে গিয়ে অনেক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়েন। পরিবার গঠনে বাবারও সমান দায়িত্ব রয়েছে। এজন্য শিক্ষা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা জরুরি।সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন এগিয়ে নিতে সহায়তার লক্ষ্যে ডাপা এ কর্মসূচির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর।সংস্থার সভাপতি কাজী মো. শাহ কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এসকে খোদা তোতন, চবি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এম আর চৌধুরী মিল্টন, নগর বিএনপির সদস্য মোশাররফ হোসেন ডিপ্টি, পাহাড়তলী থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জিয়া এবং মহানগর ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ আরিফুর রহমান মিটুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল-বাংলাদেশ (টিএলএমআই-নিউজিল্যান্ড)-এর সহযোগিতায় এবং ‘স্থিতিস্থাপক ডাপা’র জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রাম মহানগরীর ২৮০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সামগ্রীর পাশাপাশি ৩০০ টাকা এবং মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সামগ্রীর সঙ্গে ২ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়।প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাঈদ আল নোমান বলেন, শিক্ষা একটি মৌলিক অধিকার এবং শিক্ষার প্রসারে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডাপার এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলোর জন্য সহায়ক হবে।সভাপতির বক্তব্যে কাজী মো. শাহ কামাল বলেন, ডাপা দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ করে আসছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার অঙ্গীকার অব্যাহত থাকবে।অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা বলেন, এ সহায়তা তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহ জোগাবে এবং শিক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে। তারা ডাপার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।নিগার সুলতানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংস্থার কোষাধ্যক্ষ নাসিমা আক্তার, ম্যানেজার মো. আবুল কালাম ভূঁইয়া এবং এডমিন অফিসার রিয়াজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে ডাপার কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

 চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ছয় বছর বয়সী শিশু আবীর দেবনাথ মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলার আশা দিলেও, তার দিনমজুর বাবার পক্ষে সেই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই একমাত্র সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান মানুষের কাছে আকুতি জানিয়েছেন তার বাবা-মা। আবীর দেবনাথ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের শাহাব্দিনগর নাথপাড়ার রাজমিস্ত্রী শম্ভু দেবনাথের একমাত্র সন্তান। সম্প্রতি তাকে পারুয়া কাটাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু মাসখানেক আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরীক্ষায় তার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। সেই প্রায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩মসের ও বেশিদিন চিকিৎসা করেও কোনো উন্নতি হয়নি। তাই ডাক্তাররা বলেছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ইন্ডিয়াতে নিয়ে গেলে হয়তো ভালো হবে। তাই আবিরের পাসপোর্ট বানাতে ও চিকিৎসার খরচ যোগাড় করতে খেয়ে যাচ্ছেন দিনমজুর বাবা। আবীরের বাবা শম্ভু দেবনাথ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন দিনমজুর, সারাদিন কাজ করে যা আয় করি তা দিয়ে সংসারই চলে না। ছেলের চিকিৎসার জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, তা আমি কীভাবে জোগাড় করব? আমার একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে আমি সবার কাছে সাহায্য চাই। সবে ভর্তি হয়েছিল প্রথম শ্রেণিতে, ক্যান্সার কেড়ে নিচ্ছে আবীরের শৈশব ছেলের অসুস্থতার খবরে মা প্রায় বাকরুদ্ধ। তিনি জানান, তাদের এখন আর ছেলেকে নিয়ে কোনো স্বপ্ন নেই, শুধু তাকে বাঁচিয়ে রাখাই একমাত্র চিন্তা। সমাজের মানবিক মানুষের সামান্য সহযোগিতাই পারে শিশু আবীরের জীবন রক্ষা করতে। আবীরকে সাহায্য পাঠানোর জন্য: বিকাশ নম্বর (পার্সোনাল): ০১৮৭৬-৩৯০৮৪৭ *যোগাযোগের জন্য: ০১৬২২-৩০৯১৩৭

অনলাইন জরিপ
১১ আগস্ট ২০২৫, ০১:৫০ এএম
ঢাবিতে হল রাজনীতি বন্ধের দাবিতে মধ্যরাতে মিছিল করছে শিক্ষার্থীরা। আপনি কী চান?

ঢাবিতে হল রাজনীতি বন্ধের দাবিতে মধ্যরাতে মিছিল করছে শিক্ষার্থীরা। আপনি কী চান?

  হল রাজনীতি চলুক
  হল রাজনীতি বন্ধ হোক
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২৭ জন