প্রতিদিনের চট্টগ্রাম
সর্বশেষ
মব ও উগ্রতা পরিহার করে সুস্থ ও সম্প্রীতির রাজনীতি চর্চার আহ্বান বিজেপির

মব ও উগ্রতা পরিহার করে সুস্থ ও সম্প্রীতির রাজনীতি চর্চার আহ্বান বিজেপির

 ঐতিহাসিক বদর দিবস ও ৭ই মার্চ উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরীর থিয়েটার ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা ও অঙ্গসংগঠনসমূহের উদ্যোগে ( শনিবার ৭ই মার্চ) ‘ইফতার ও আলোচনা সভা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা কমিটির আহ্বায়ক এস. এম. ইকরাম হোসাইন এবং সঞ্চালনা করেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মুরাদ। প্রধান অতিথি হিসেবে মুঠোফোনে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আন্দালিভ রহমান পার্থ। প্রধান আলোচক ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ জুলকারনাইন। অনুষ্ঠানে এস এম আজিজ, অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল, জান্নাতুল নাঈম রিকু, ইঞ্জিনিয়ার জসীম উদ্দীন, ইঞ্জিনিয়ার শাহীন চৌধুরী ও মাসুদ রানাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং পেশাজীবি শ্রেণী উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ছাত্রসমাজের চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক শাহরিয়ার হোসাইন আরিফ। প্রধান আলোচক সৈয়দ মোহাম্মদ জুলকারনাইন পবিত্র দীর্ঘ আলোচনায় ঐতিহাসিক মহান বদর দিবসের বিস্তারিত তাৎপর্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় তরুণ প্রজন্মকে বদরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে এস. এম. ইকরাম হোসাইন বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক সংকটে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অকার্যকারিতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। নিপীড়িত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাস্তবভিত্তিক ঐক্য গড়ে তুলে নতুন আন্তর্জাতিক কাঠামো প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি দেশের স্পর্শকাতর অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে তরুণদের একটি অংশ রাজনীতিতে ব্যক্তিগত আক্রমণ, উগ্রতা ও মব সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করছে, যা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য উদ্বেগজনক। মাজার ও মন্দিরে হামলা, চাঁদাবাজি ও সামাজিক অপরাধের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি এসব অপসংস্কৃতি পরিহার করে রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সম্প্রীতির চর্চার আহ্বান জানান। বক্তারা সাম্প্রতিক সময়ে তরুণদের রাজনৈতিক দল এনসিপি কর্তৃক বাঙালির আধ্যাত্মিক ইতিহাসের অন্যতম ব্যক্তিত্ব হযরত শাহ জালাল (রহ.)-এর মাজার অবমাননার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থাপনার প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখার আহ্বান জানান। এ সময় উগ্রতা ও মব সংস্কৃতি পরিহার করে সহনশীলতা, পারস্পরিক সম্মানবোধ ও রাজনৈতিক সম্প্রীতির ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজেপি চট্টগ্রাম জেলার সদস্য সচিব এইচ এম তাহি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক ফজলে রাব্বি, মহানগর শ্রমিক পার্টির আহ্বায়ক আব্দুল মতিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

মব ও উগ্রতা পরিহার করে সুস্থ ও সম্প্রীতির রাজনীতি চর্চার আহ্বান বিজেপির

মব ও উগ্রতা পরিহার করে সুস্থ ও সম্প্রীতির রাজনীতি চর্চার আহ্বান বিজেপির

 ঐতিহাসিক বদর দিবস ও ৭ই মার্চ উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরীর থিয়েটার ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা ও অঙ্গসংগঠনসমূহের উদ্যোগে ( শনিবার ৭ই মার্চ) ‘ইফতার ও আলোচনা সভা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা কমিটির আহ্বায়ক এস. এম. ইকরাম হোসাইন এবং সঞ্চালনা করেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মুরাদ। প্রধান অতিথি হিসেবে মুঠোফোনে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আন্দালিভ রহমান পার্থ। প্রধান আলোচক ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ জুলকারনাইন। অনুষ্ঠানে এস এম আজিজ, অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল, জান্নাতুল নাঈম রিকু, ইঞ্জিনিয়ার জসীম উদ্দীন, ইঞ্জিনিয়ার শাহীন চৌধুরী ও মাসুদ রানাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং পেশাজীবি শ্রেণী উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ছাত্রসমাজের চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক শাহরিয়ার হোসাইন আরিফ। প্রধান আলোচক সৈয়দ মোহাম্মদ জুলকারনাইন পবিত্র দীর্ঘ আলোচনায় ঐতিহাসিক মহান বদর দিবসের বিস্তারিত তাৎপর্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় তরুণ প্রজন্মকে বদরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে এস. এম. ইকরাম হোসাইন বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক সংকটে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অকার্যকারিতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। নিপীড়িত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাস্তবভিত্তিক ঐক্য গড়ে তুলে নতুন আন্তর্জাতিক কাঠামো প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি দেশের স্পর্শকাতর অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে তরুণদের একটি অংশ রাজনীতিতে ব্যক্তিগত আক্রমণ, উগ্রতা ও মব সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করছে, যা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য উদ্বেগজনক। মাজার ও মন্দিরে হামলা, চাঁদাবাজি ও সামাজিক অপরাধের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি এসব অপসংস্কৃতি পরিহার করে রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সম্প্রীতির চর্চার আহ্বান জানান। বক্তারা সাম্প্রতিক সময়ে তরুণদের রাজনৈতিক দল এনসিপি কর্তৃক বাঙালির আধ্যাত্মিক ইতিহাসের অন্যতম ব্যক্তিত্ব হযরত শাহ জালাল (রহ.)-এর মাজার অবমাননার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থাপনার প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখার আহ্বান জানান। এ সময় উগ্রতা ও মব সংস্কৃতি পরিহার করে সহনশীলতা, পারস্পরিক সম্মানবোধ ও রাজনৈতিক সম্প্রীতির ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজেপি চট্টগ্রাম জেলার সদস্য সচিব এইচ এম তাহি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক ফজলে রাব্বি, মহানগর শ্রমিক পার্টির আহ্বায়ক আব্দুল মতিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে / সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

সিটিজি ডেস্ক: ই -টিকেটিং প্ল্যাটফর্ম বিডিটিকেটস যুক্ত হলো দেশের জনপ্রিয় বাস সার্ভিস সৌদিয়া কোচ সার্ভিস। এর ফলে বাস কাউন্টারে লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা ছাড়াই ঘরে বসে অনলাইনে খুব সহজে সৌদিয়ার টিকেট কাটতে পারবেন যাত্রীরা। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন রুটে যাত্রীসেবা দিয়ে আসছে সৌদিয়া। যাত্রীসেবায় আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে ওঠা সৌদিয়া কোচ সার্ভিসের বাসগুলো বিভিন্ন রুটে নিয়মিত চলাচল করছে। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও বেনাপোল রুটে যাতায়াতে যাত্রীদের পছন্দের শীর্ষে আছে সৌদিয়ার বাস। বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সার্ভিস চার্জ থাকলেও বিডিটিকেটসে কোনো সার্ভিস চার্জ নেই। তাই সৌদিয়ার যাত্রীরা নির্ধারিত দামেই টিকেট কিনতে পারবেন কোনো রকম বাড়তি চার্জ ছাড়াই। এ বিষয়ে বিডিটিকেটসের হেড অব ক্যাম্পেইন শাফায়েত শাহনূর বলেন, “আমরা গ্রাহকসেবায় সদা সচেষ্ট। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় বাস অপারেটর সৌদিয়া আমাদের প্ল্যাটফর্মে আসা ছিল সময়ের দাবি। নতুন এই সংযোজন শুধু আসন্ন রমজান বা ঈদ নয় বরং বছরজুড়ে বাস টিকেট কেনা ও ভ্রমণ পরিকল্পনায় গ্রাহকদের সময় ও শ্রমের অপচয় কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”সৌদিয়া বাসে বরাবরের মতই থাকছে লাক্সারিয়াস সব সার্ভিস। এতে আছে এসি বাসে ফ্রি সেট মেনু সুবিধা, যা যে কোনো লং রুটের যাত্রায় যোগ করে বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য ও সন্তুষ্টি। সৌদিয়ার এসি ও নন-এসি দুই ধরনের কোচেই রয়েছে মার্সিডিজ-বেঞ্জ বাসের আরামদায়ক ভ্রমণ সুবিধা।বিডিটিকেটস (bdtickets) অ্যাপের মাধ্যমে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে কাটা যাবে সৌদিয়ার বাস টিকেট। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বিডিটিকেটসের ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটে (www.bdtickets.com)। এছাড়া ১৬৪৬০ নম্বরে কল করে সপ্তাহের সাত দিনই পাওয়া যাচ্ছে প্রয়োজনীয় সহায়তা।

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে / সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

সিটিজি ডেস্ক: ই -টিকেটিং প্ল্যাটফর্ম বিডিটিকেটস যুক্ত হলো দেশের জনপ্রিয় বাস সার্ভিস সৌদিয়া কোচ সার্ভিস। এর ফলে বাস কাউন্টারে লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা ছাড়াই ঘরে বসে অনলাইনে খুব সহজে সৌদিয়ার টিকেট কাটতে পারবেন যাত্রীরা। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন রুটে যাত্রীসেবা দিয়ে আসছে সৌদিয়া। যাত্রীসেবায় আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে ওঠা সৌদিয়া কোচ সার্ভিসের বাসগুলো বিভিন্ন রুটে নিয়মিত চলাচল করছে। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও বেনাপোল রুটে যাতায়াতে যাত্রীদের পছন্দের শীর্ষে আছে সৌদিয়ার বাস। বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সার্ভিস চার্জ থাকলেও বিডিটিকেটসে কোনো সার্ভিস চার্জ নেই। তাই সৌদিয়ার যাত্রীরা নির্ধারিত দামেই টিকেট কিনতে পারবেন কোনো রকম বাড়তি চার্জ ছাড়াই। এ বিষয়ে বিডিটিকেটসের হেড অব ক্যাম্পেইন শাফায়েত শাহনূর বলেন, “আমরা গ্রাহকসেবায় সদা সচেষ্ট। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় বাস অপারেটর সৌদিয়া আমাদের প্ল্যাটফর্মে আসা ছিল সময়ের দাবি। নতুন এই সংযোজন শুধু আসন্ন রমজান বা ঈদ নয় বরং বছরজুড়ে বাস টিকেট কেনা ও ভ্রমণ পরিকল্পনায় গ্রাহকদের সময় ও শ্রমের অপচয় কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”সৌদিয়া বাসে বরাবরের মতই থাকছে লাক্সারিয়াস সব সার্ভিস। এতে আছে এসি বাসে ফ্রি সেট মেনু সুবিধা, যা যে কোনো লং রুটের যাত্রায় যোগ করে বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য ও সন্তুষ্টি। সৌদিয়ার এসি ও নন-এসি দুই ধরনের কোচেই রয়েছে মার্সিডিজ-বেঞ্জ বাসের আরামদায়ক ভ্রমণ সুবিধা।বিডিটিকেটস (bdtickets) অ্যাপের মাধ্যমে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে কাটা যাবে সৌদিয়ার বাস টিকেট। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বিডিটিকেটসের ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটে (www.bdtickets.com)। এছাড়া ১৬৪৬০ নম্বরে কল করে সপ্তাহের সাত দিনই পাওয়া যাচ্ছে প্রয়োজনীয় সহায়তা।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

অনলাইন জরিপ
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন