প্রতিদিনের চট্টগ্রাম
সর্বশেষ
সনাতনী মুচকি হাসি পরিবার পক্ষ থেকে ফটিকছড়িতে অসহায় পরিবারের জন্য নির্মিত গৃহের শুভ উদ্ধোধন।

সনাতনী মুচকি হাসি পরিবার পক্ষ থেকে ফটিকছড়িতে অসহায় পরিবারের জন্য নির্মিত গৃহের শুভ উদ্ধোধন।

গত  ১ মে শুক্রবার  ২০২৬ ইং 'সনাতনী মুচকি হাসি পরিবার'সংগঠনটির অর্থায়নে নির্মিত একটি নতুন গৃহের শুভ উদ্বোধন ও ‘গৃহপ্রবেশ’ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার বারমাসিয়া দক্ষিণ হিন্দুপাড়ায় এক মানবিক উদ্যোগের সফল বাস্তবায়ন করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সনাতনী মুচকি হাসি পরিবার’। ​স্থানীয় স্বর্গীয় পরিতোষ দে’র অসহায় পরিবারের জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই গৃহনির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ফিতা কেটে নবনির্মিত গৃহের শুভ উদ্বোধন করেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য ফ্রন্ট চট্টগ্রাম উত্তর জেলার আহ্বায়ক রোটানিয়ান জুয়েল চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানে প্রধান আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত থেকে গৃহের মাঙ্গলিক প্রার্থনা ও আশীর্বাদ প্রদান করেন ফটিকছড়ি কেন্দ্রীয় লোকনাথ মন্দিরের অধ্যক্ষ শ্রী শ্রীমৎ উজ্জ্বলানন্দ ব্রহ্মচারী।​অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সনাতন সেবা সংঘের সভাপতি ডাঃ মিল্টন দে ছোটন, সাধারণ সম্পাদক শিক্ষক বাবলা কুমার দে এবং সদস্য মিথুন ধর ও সুব্রত দে শুভ। শ্রী অন্তু দাশগুপ্তের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সনাতনী মুচকি হাসি পরিবারের অন্যতম সংগঠক অপু দাশ, শ্রী ঝোটন নন্দী, দুর্জয় পাল, রনি নাথ, মিশু দে, জয় শীল, শুভ দেব, জয় দেব, পূজন পাল এবং নিলয় দাশ সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।​অনুষ্ঠানে আগত অথিতিরা  বলেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মুখে হাসি ফোটানোই এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য। একটি গৃহহীন পরিবারকে সুন্দর আবাসস্থল উপহার দিতে পেরে সংগঠনের সদস্যরা অত্যন্ত আনন্দিত। আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে উপকারভোগী পরিবারের হাতে নবনির্মিত গৃহের চাবি তুলে দেন। মানবিক এই কাজের মাধ্যমে এলাকায় সংগঠনের কার্যক্রম প্রশংসিত হয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি বলেন, অতীতের মত আমরা সকলের সহযোগিতায় আরো একটি মহৎ কাজ সফল ভাবে সম্পন্ন করেছি আশা করি এভাবে সকলে পাশে থাকলে আরও অনেক মানবিক কাজ সম্পন্ন করতে পারব।

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

 চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ছয় বছর বয়সী শিশু আবীর দেবনাথ মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলার আশা দিলেও, তার দিনমজুর বাবার পক্ষে সেই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই একমাত্র সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান মানুষের কাছে আকুতি জানিয়েছেন তার বাবা-মা। আবীর দেবনাথ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের শাহাব্দিনগর নাথপাড়ার রাজমিস্ত্রী শম্ভু দেবনাথের একমাত্র সন্তান। সম্প্রতি তাকে পারুয়া কাটাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু মাসখানেক আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরীক্ষায় তার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। সেই প্রায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩মসের ও বেশিদিন চিকিৎসা করেও কোনো উন্নতি হয়নি। তাই ডাক্তাররা বলেছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ইন্ডিয়াতে নিয়ে গেলে হয়তো ভালো হবে। তাই আবিরের পাসপোর্ট বানাতে ও চিকিৎসার খরচ যোগাড় করতে খেয়ে যাচ্ছেন দিনমজুর বাবা। আবীরের বাবা শম্ভু দেবনাথ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন দিনমজুর, সারাদিন কাজ করে যা আয় করি তা দিয়ে সংসারই চলে না। ছেলের চিকিৎসার জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, তা আমি কীভাবে জোগাড় করব? আমার একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে আমি সবার কাছে সাহায্য চাই। সবে ভর্তি হয়েছিল প্রথম শ্রেণিতে, ক্যান্সার কেড়ে নিচ্ছে আবীরের শৈশব ছেলের অসুস্থতার খবরে মা প্রায় বাকরুদ্ধ। তিনি জানান, তাদের এখন আর ছেলেকে নিয়ে কোনো স্বপ্ন নেই, শুধু তাকে বাঁচিয়ে রাখাই একমাত্র চিন্তা। সমাজের মানবিক মানুষের সামান্য সহযোগিতাই পারে শিশু আবীরের জীবন রক্ষা করতে। আবীরকে সাহায্য পাঠানোর জন্য: বিকাশ নম্বর (পার্সোনাল): ০১৮৭৬-৩৯০৮৪৭ *যোগাযোগের জন্য: ০১৬২২-৩০৯১৩৭

করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ : হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি

করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ : হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি

দেশব্যাপী সরকার ঘোষিত খাল খনন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার শিলক খালের দুই কিলোমিটার খাল খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সাংসদ বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টায় নিজ হাতে মাটি কেটে শিলক ইউনিয়নের মরা খালে এ খননের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বিএডিসি প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত উপজেলার ১০ নং পদুয়া ইউনিয়নের ত্রিপুরা সুন্দরী খালের ওপর নির্মিত বক্স কালভর্টের উদ্বোধন করেন।রাতে ত্রিপুরা সুন্দরী কালভার্ট উদ্বোধন শেষে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বিএডিসি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন হুমাম কাদের চৌধুরীবাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)র নির্বাহী প্রকৌশলী মোশারফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ও সহকারী প্রকৌশলী তমাল দাশের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি বলেন, 'কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে এবং স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে প্রয়াত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। উনার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার ধারা অব্যাহত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ১৬ মার্চ বাংলাদেশের ৫৩টি জেলায় একযোগে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।'তিনি আরও বলেন, রাঙ্গুনিয়ার প্রায় ৬০ ভাগ মানুষ এখনো কৃষক এবং মাটির উপর ভরসা করে জীবনযাপন করে। আলহামদুলিল্লাহ, এই খাল খনন প্রোগ্রামের মাধ্যমে উনি আমার কিছু কাজ সুবিধা করে দিয়েছে, যেটা আমি চিন্তা করেছিলাম নির্বাচনের আগে একাজে নামতে হবে, অনেক অফিসে অফিসে দৌড়াতে হবে, তাদেরকে গিয়ে বুঝাতে হবে যে,রাঙ্গুনিয়ার মধ্যে খাল খনন করা খুবই জরুরী। সে কাজ আমাকে আর করতে হচ্ছেনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে আজকে আমরা এই শিলক মরা খাল নতুন করে খনন করা হচ্ছে। যে সরাসরি গিয়ে ডং খালের সাথে কানেকশন পায়। তিনি বলেন, আপনারা অনেকেই বসে বসে আলাপ করেন, কাজগুলো দ্রুত হচ্ছে না কেন? আমি আপনাদের দেখাতে চাই, আমার নখের কালী একনো শুকায়নাই, তারেক রহমান সাহেব নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হয়েছে বেশীদিন হয়নি। কিন্তু এই বিশাল কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। এই কাজ দিয়ে আমরা বাংলাদেশের জনগণকে জানিয়ে দিতে চাই। আমরা খালি শ্লোগান দিইনা, মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, 'করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ' এই বিশ্বাস নিয়ে আগাচ্ছি, আশাকরি পাশে থাকবেন।হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, দুই মাস আগে আপনাদের সামনে ঘন ঘন আসতাম, লম্বা লম্বা বক্তৃতা দিতাম। এই বক্তৃতার মাধ্যমে আপনাদের কাছে এসে হাত পেতে ভিক্ষা চেয়েছি। বলেছিলাম, আপনারা যদি নির্বাচিত করেন, যদি ভরসা রাখেন। তাহলে সামনের পাঁচ বছর কাজ করবো। আপনাদের কথা সাংসদে বলে আমি পাঁচ বছর আপনাদের জন্য কাজ করতে চাই।তিনি আরও বলেন, রাস্তা খারাপ এই কথা আমাকে বলতে হবেনা। নির্বাচনের সময় এমন কোন রাস্তা বাকী রাখিনাই, যেটা দিয়ে আমি হাটিনাই। প্রত্যোকটা ভাঙা রাস্তা আমি নিজে দেখে এসেছি। যেখানে যেখানে ব্রীজ হওয়ার কথা ছিলো, কোমড় পর্যন্ত পানি হেটে পাড় হয়ে দেখে এসেছি।নিজ দলের নেতাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, যারা যারা নিজ এলাকা ও ইউনিয়নে নেতৃত্ব দিতে চাচ্ছেন, তাদেরকে আমি অনুরোধ করবো, আপনারা দায়িত্বপালন শুরু করে দেন। কারণ বক্তৃতা দিয়ে আর ভোট হবেনা। কাজের মাধ্যমে ভোট আসবে এবার। সামনে ইউনিয়ন নির্বাচন আসছে, এই নির্বাচনে আপনাদের কাজ যদি না দেখে, আপনাদেরকে কেউ ভোট দেবেনা। সেকারণে মাজা শক্ত করেন। কাজে নামতে হবে।তিনি আরও বলেন, রাঙ্গুনিয়ায় প্রথম বোধহয় ব্রীজ একটা বানানো হলো, যেখানে কাউকে চাঁদা দিতে হয় নাই, সময় অপচয় হয় নাই এবং সময়মতো ব্রীজ উদ্বোধন করতে পারলাম। এসম তিনি সকলে দোয়া চেয়ে বলেন, সামনের বার যখন এখানে আসবো, দোয়া করি গাড়ী চড়ে আসতে পারি। তাই শীঘ্রই  এই রাস্তার কাজ আমাদের ধরতে হবে। মিডিয়াকর্মীদের অবহিত করে তিনি বলেন, আপনারা কি জানেন, রাঙ্গুনিয়ায় ১শ' ভাগের মধ্যে কতভাগ রাস্তা পাকা হয়েছে? হিসাবে লেখা ২৭ ভাগ। বাস্তবে ২১ ভাগের উপরে হবেনা। আমার প্রশ্ন, এত বছর মন্ত্রী বসা ছিল, এ কি কাজ করলো। সতেরো বছর ধরে রাজত্ব করার পরে এই ব্রীজ কেন করতে পারলোনা।  পদুয়াতে নতুন হাসপাতাল নির্মাণে ওয়াদা করে তিনি বলেন, আজকে নতুন করে ওয়াদা করে যাচ্ছি, রাঙ্গুনিয়ায় যখন ঢুকবো। আশাকরি নতুন কিছু কাজ নিয়ে এসে ঢুকবো। কারণ খালি হাতে আস্তে আস্তে আমার কলিজা ভেঙ্গে যাচ্ছে। খালি হাতে আর আসবোনা। পদুয়ায় একটি ৫০ শয্যার হেলথ কমপ্লেক্স আছে, ওটাকে ১০০ শয্যা করার আবেদন করেছি, ইনশাআল্লাহ হয়ে যাবে। তবে এখান থেকে ওখানে যেতে যেতে রুগী মারা যাবে। সেকারণে পদুয়াতে আরেকটি হাসপাতাল নির্মাণের আবেদন করে এসেছি। কাপ্তাই সড়ক চার লাইনে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, আমার জানামতে গত ২০০/২৫ বছর ধরে সকলে শুধু কাপ্তাই সড়ক ৪ লাইনে করার ওয়াদা করে আসছে। সামনের সাপ্তাহে উদ্বোধন করছি, এই সড়ককে চার লাইনে বানিয়ে ছাড়বো। তবে আপনাদের কাছে আমার একটা চাওয়া আছে, আপনার এলাকার মধ্যে যারা মাদক ব্যবসায় আছে, তাদেরকে আপনাদের ধরিয়ে দিতে হবে। আপনারা জানেন কারা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত, তাদের তালিকা করে যদি প্রশাসনকে দিতে ভয় পান। তাহলে আমাকে দেন, বাকি ব্যবস্থা আমি৷ নেবো। রাঙ্গুনিয়ার উন্নয়ন থেমে থাকবে,যদি আমরা সমাজকে ঠিক না করতে পারি। আর সমাজকে ধ্বংস করছে এই মাদক ব্যবসায়ীরা।এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)র নির্বাহী প্রকৌশলী মোশারফ হোসেন ভূঁইয়ার বলেন, শিলক মরা খালের দুই কিলোমিটার এই খাল খননের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ লাখ টাকা।

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে / সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

সিটিজি ডেস্ক: ই -টিকেটিং প্ল্যাটফর্ম বিডিটিকেটস যুক্ত হলো দেশের জনপ্রিয় বাস সার্ভিস সৌদিয়া কোচ সার্ভিস। এর ফলে বাস কাউন্টারে লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা ছাড়াই ঘরে বসে অনলাইনে খুব সহজে সৌদিয়ার টিকেট কাটতে পারবেন যাত্রীরা। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন রুটে যাত্রীসেবা দিয়ে আসছে সৌদিয়া। যাত্রীসেবায় আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে ওঠা সৌদিয়া কোচ সার্ভিসের বাসগুলো বিভিন্ন রুটে নিয়মিত চলাচল করছে। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও বেনাপোল রুটে যাতায়াতে যাত্রীদের পছন্দের শীর্ষে আছে সৌদিয়ার বাস। বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সার্ভিস চার্জ থাকলেও বিডিটিকেটসে কোনো সার্ভিস চার্জ নেই। তাই সৌদিয়ার যাত্রীরা নির্ধারিত দামেই টিকেট কিনতে পারবেন কোনো রকম বাড়তি চার্জ ছাড়াই। এ বিষয়ে বিডিটিকেটসের হেড অব ক্যাম্পেইন শাফায়েত শাহনূর বলেন, “আমরা গ্রাহকসেবায় সদা সচেষ্ট। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় বাস অপারেটর সৌদিয়া আমাদের প্ল্যাটফর্মে আসা ছিল সময়ের দাবি। নতুন এই সংযোজন শুধু আসন্ন রমজান বা ঈদ নয় বরং বছরজুড়ে বাস টিকেট কেনা ও ভ্রমণ পরিকল্পনায় গ্রাহকদের সময় ও শ্রমের অপচয় কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”সৌদিয়া বাসে বরাবরের মতই থাকছে লাক্সারিয়াস সব সার্ভিস। এতে আছে এসি বাসে ফ্রি সেট মেনু সুবিধা, যা যে কোনো লং রুটের যাত্রায় যোগ করে বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য ও সন্তুষ্টি। সৌদিয়ার এসি ও নন-এসি দুই ধরনের কোচেই রয়েছে মার্সিডিজ-বেঞ্জ বাসের আরামদায়ক ভ্রমণ সুবিধা।বিডিটিকেটস (bdtickets) অ্যাপের মাধ্যমে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে কাটা যাবে সৌদিয়ার বাস টিকেট। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বিডিটিকেটসের ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটে (www.bdtickets.com)। এছাড়া ১৬৪৬০ নম্বরে কল করে সপ্তাহের সাত দিনই পাওয়া যাচ্ছে প্রয়োজনীয় সহায়তা।

ভূমিদস্যুদের হামলা ও মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরাপত্তা চাইলেন কলেজ শিক্ষার্থী সাদেক

ভূমিদস্যুদের হামলা ও মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরাপত্তা চাইলেন কলেজ শিক্ষার্থী সাদেক

নিউজ ডেস্ক:ভূমিদস্যু ও জবরদখলকারীদের হামলা, লুটপাট এবং মিথ্যা মামলার অভিযোগ তুলে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেছেন চট্টগ্রাম সরকারি হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল সাদেক। তিনি দাবি করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র তাদের ওপর হামলা ও হয়রানি চালিয়ে আসছে।সোমবার (৪ মে) দুপুরে নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন তিনি।সাদেক অভিযোগ করেন, মুনিরিয়া যুব তবলীগ কমিটির প্রধান মুনিরুল্লাহ ও তার অনুসারীরা গত ৯ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে নগরের বায়েজিদ থানার অক্সিজেন এলাকায় তাদের বাসায় হামলা চালায়। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও উল্টো তাকে বানোয়াট মামলায় গ্রেফতার করে বলে দাবি করেন তিনি।তার ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার সময় বাসা থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয় এবং পরিবারের নারী সদস্যদের হেনস্তা করা হয়। এ ঘটনায় ১৩ এপ্রিল থানায় অভিযোগ দিলেও এখনো কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে জানান তিনি।সংবাদ সম্মেলনে সাদেক আরও বলেন, তিনি ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর শাখার সাথী এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। তার বাবা মাওলানা জামাল হোসাইন জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলার শূরা ও কর্মপরিষদের সদস্য।তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক কারণে তার বাবাকে ১৩ বছর ৪ মাস চাকরি থেকে বরখাস্ত রাখা হয়। ২০১২ সালে রাউজান পৌরসভার একটি মসজিদের খতিবের দায়িত্ব থেকেও তাকে বিনা নোটিশে সরিয়ে দেওয়া হয়।লিখিত বক্তব্যে আরও অভিযোগ করা হয়, মুনিরুল্লাহর নেতৃত্বে একটি দল ২০২৪ সালের গত ৪ ডিসেম্বর কাগতিয়া মাইজপাড়া তালীমুল কুরআন মাদ্রাসা দারুল ইয়াতামা দখল করে। এছাড়া গত কয়েক বছরে এলাকার অন্তত পাঁচটি পুকুর ভরাট, ৩৪৯ শতক নাল জমি দখল এবং মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মুছার স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুরের ঘটনাতেও তারা জড়িত বলে দাবি করেন সাদেক।তিনি বলেন, বসতভিটা বিক্রি করতে অস্বীকৃতি জানানো এবং দখলবাজির প্রতিবাদ করায় তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। এমনকি তার প্রবাসী বড় ভাই আল-আমিন সাব্বিরকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে, যদিও ঘটনার সময় তিনি বিদেশে ছিলেন।সংবাদ সম্মেলনে সাদেক পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দখলকৃত মাদ্রাসা ও জমি উদ্ধার এবং দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি বলেন, প্রশাসনের সহযোগিতা না পেয়ে বিষয়টি আইজিপি ও চট্টগ্রাম পুলিশ সুপারের কাছেও জানানো হয়েছে।তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মুনিরুল্লাহ বা পুলিশের কোনো বক্তব্য জানা যায়নি।

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

 চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ছয় বছর বয়সী শিশু আবীর দেবনাথ মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলার আশা দিলেও, তার দিনমজুর বাবার পক্ষে সেই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই একমাত্র সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান মানুষের কাছে আকুতি জানিয়েছেন তার বাবা-মা। আবীর দেবনাথ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের শাহাব্দিনগর নাথপাড়ার রাজমিস্ত্রী শম্ভু দেবনাথের একমাত্র সন্তান। সম্প্রতি তাকে পারুয়া কাটাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু মাসখানেক আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরীক্ষায় তার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। সেই প্রায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩মসের ও বেশিদিন চিকিৎসা করেও কোনো উন্নতি হয়নি। তাই ডাক্তাররা বলেছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ইন্ডিয়াতে নিয়ে গেলে হয়তো ভালো হবে। তাই আবিরের পাসপোর্ট বানাতে ও চিকিৎসার খরচ যোগাড় করতে খেয়ে যাচ্ছেন দিনমজুর বাবা। আবীরের বাবা শম্ভু দেবনাথ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন দিনমজুর, সারাদিন কাজ করে যা আয় করি তা দিয়ে সংসারই চলে না। ছেলের চিকিৎসার জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, তা আমি কীভাবে জোগাড় করব? আমার একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে আমি সবার কাছে সাহায্য চাই। সবে ভর্তি হয়েছিল প্রথম শ্রেণিতে, ক্যান্সার কেড়ে নিচ্ছে আবীরের শৈশব ছেলের অসুস্থতার খবরে মা প্রায় বাকরুদ্ধ। তিনি জানান, তাদের এখন আর ছেলেকে নিয়ে কোনো স্বপ্ন নেই, শুধু তাকে বাঁচিয়ে রাখাই একমাত্র চিন্তা। সমাজের মানবিক মানুষের সামান্য সহযোগিতাই পারে শিশু আবীরের জীবন রক্ষা করতে। আবীরকে সাহায্য পাঠানোর জন্য: বিকাশ নম্বর (পার্সোনাল): ০১৮৭৬-৩৯০৮৪৭ *যোগাযোগের জন্য: ০১৬২২-৩০৯১৩৭

অনলাইন জরিপ
১১ আগস্ট ২০২৫, ০১:৫০ এএম
ঢাবিতে হল রাজনীতি বন্ধের দাবিতে মধ্যরাতে মিছিল করছে শিক্ষার্থীরা। আপনি কী চান?

ঢাবিতে হল রাজনীতি বন্ধের দাবিতে মধ্যরাতে মিছিল করছে শিক্ষার্থীরা। আপনি কী চান?

  হল রাজনীতি চলুক
  হল রাজনীতি বন্ধ হোক
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২৬ জন