প্রতিদিনের চট্টগ্রাম
সর্বশেষ
কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন

কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন

প্রবাসে বসবাসরত কক্সবাজারবাসীর মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র উদ্যোগে এক আনন্দঘন ঈদ পুনর্মিলনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।পূর্ব লন্ডনের Bernie Community Centre কমিউনিটি হাবের একটি হলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী কক্সবাজারবাসী, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র নবগঠিত এক্সিকিউটিভ কমিটির সভাপতি ফরিদুল আলম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র ট্রাস্টি ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন, ব্যারিস্টার আবুল মুনছুর শাহজাহান, সৈয়দ ফিরোজ গনি, জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘চাটগাইয়া গফ’-এর উপস্থাপক ও TV24Bangla-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, মো. সেলিম হোসাইন এবং মো. জাগলুল হায়াত চৌধুরী।এসময় বক্তারা কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা বলেন, প্রবাসে বসবাস করেও নিজেদের শেকড়, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করে তোলার ক্ষেত্রে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল নতুন প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণ। শিশু-কিশোররা কোরবানির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান ও কবিতা আবৃত্তি করে।অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্টিয়ারিং কমিটির বর্তমান চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, ব্যারিস্টার নুরুল গাফ্ফার, ব্যারিস্টার সারওয়ার কামাল, মোহাম্মদ আজাদ, মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, ব্যারিস্টার প্রশান্ত ভোষণ বড়ুয়া, মোহাম্মদ কায়সার, মাওলানা মোহাম্মদ জুনাইদ, ব্যারিস্টার বেলালসহ নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন স্টিয়ারিং কমিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. সাহেদ চৌধুরী।সবশেষে কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র সভাপতি ফরিদুল আলম উপস্থিত সকল অতিথি, শুভানুধ্যায়ী ও আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।অনুষ্ঠানটি প্রবাসী কক্সবাজারবাসীর মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, ঐক্য ও সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উপস্থিত অতিথিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

 চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ছয় বছর বয়সী শিশু আবীর দেবনাথ মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলার আশা দিলেও, তার দিনমজুর বাবার পক্ষে সেই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই একমাত্র সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান মানুষের কাছে আকুতি জানিয়েছেন তার বাবা-মা। আবীর দেবনাথ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের শাহাব্দিনগর নাথপাড়ার রাজমিস্ত্রী শম্ভু দেবনাথের একমাত্র সন্তান। সম্প্রতি তাকে পারুয়া কাটাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু মাসখানেক আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরীক্ষায় তার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। সেই প্রায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩মসের ও বেশিদিন চিকিৎসা করেও কোনো উন্নতি হয়নি। তাই ডাক্তাররা বলেছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ইন্ডিয়াতে নিয়ে গেলে হয়তো ভালো হবে। তাই আবিরের পাসপোর্ট বানাতে ও চিকিৎসার খরচ যোগাড় করতে খেয়ে যাচ্ছেন দিনমজুর বাবা। আবীরের বাবা শম্ভু দেবনাথ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন দিনমজুর, সারাদিন কাজ করে যা আয় করি তা দিয়ে সংসারই চলে না। ছেলের চিকিৎসার জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, তা আমি কীভাবে জোগাড় করব? আমার একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে আমি সবার কাছে সাহায্য চাই। সবে ভর্তি হয়েছিল প্রথম শ্রেণিতে, ক্যান্সার কেড়ে নিচ্ছে আবীরের শৈশব ছেলের অসুস্থতার খবরে মা প্রায় বাকরুদ্ধ। তিনি জানান, তাদের এখন আর ছেলেকে নিয়ে কোনো স্বপ্ন নেই, শুধু তাকে বাঁচিয়ে রাখাই একমাত্র চিন্তা। সমাজের মানবিক মানুষের সামান্য সহযোগিতাই পারে শিশু আবীরের জীবন রক্ষা করতে। আবীরকে সাহায্য পাঠানোর জন্য: বিকাশ নম্বর (পার্সোনাল): ০১৮৭৬-৩৯০৮৪৭ *যোগাযোগের জন্য: ০১৬২২-৩০৯১৩৭

জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে মানুষের জন্য রাজনীতি করতে চাই: সাইফুল ইসলাম সাইফ

জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে মানুষের জন্য রাজনীতি করতে চাই: সাইফুল ইসলাম সাইফ

নিজস্ব প্রতিবেদক:চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ও নগরের ৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী সাইফুল ইসলাম সাইফ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে মানুষের জন্য ত্যাগের রাজনীতি করে যেতে চান তিনি। তাঁর মতে, আত্মত্যাগ, সংযম ও শৃঙ্খলার চর্চার মধ্য দিয়েই দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করা সম্ভব।সোমবার রাতে নগরের বার্মা কলোনিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এবং প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া, মিলাদ মাহফিল, খতমে কোরআন ও মেজবান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।সাইফুল ইসলাম সাইফ বলেন, “আজীবন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই চলতে চাই। তাঁর আদর্শকে বুকে ধারণ করে মানুষের জন্য ত্যাগের রাজনীতি করে যেতে চাই। যেখানে শুধু আত্মত্যাগ, সংযম ও শৃঙ্খলা ছাড়া আর কিছুই থাকবে না। আগামীতেও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাই।”তিনি বলেন, প্রতি বছরই জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি পালন করেন। এবার বড় পরিসরে দোয়া, মিলাদ মাহফিল, খতমে কোরআন ও মেজবানের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, যেন বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করা হয়।বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক অবদানের কথা তুলে ধরে সাইফ বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের কঠিন সময়ে তিনি নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছিলেন। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে তিনি দেশকে নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, “বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ছিলেন শহীদ জিয়াউর রহমান। খাল কাটা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, কৃষি ও রপ্তানিমুখী শিল্পের বিকাশে তাঁর অবদান ছিল অনন্য। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা দেশকে বহু কিছু এনে দিয়েছে।”অনুষ্ঠানে পাঁচলাইশ থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জুলাই যোদ্ধা মো. শাহীন বলেন, “শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শকে লালন করেই আমাদের রাজনীতি করতে হবে। তিনি শুধু একটি দলের প্রতিষ্ঠাতা নন, বরং জাতীয়তাবাদের ধারক এবং এ দেশের জন্য স্বপ্ন দেখা একজন রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন। তাঁর চিন্তা-চেতনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল বাংলাদেশ।”তিনি বলেন, “আমাদের প্রেরণার বাতিঘর তারেক রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।”অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড, ৪৩ নম্বর আমিন শিল্পাঞ্চল সাংগঠনিক ওয়ার্ডসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও মহিলাদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। খতমে কোরআন শেষে বেগম খালেদা জিয়া, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত সাবেক মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল নোমানের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। এর আগে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত সবাই মেজবানে অংশ নেন।

পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের বাজেটে বরাদ্ধের দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের বাজেটে বরাদ্ধের দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

 আজ বুধবার ০৩ জুন-২০২৬ সকাল ১১টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের পাশে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সভাপতি  ইঞ্জিনিয়ার বুলবুল চৌধুরীর সভাপতিত্বে  “বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যের অবসান চাই” শ্লোগান নিয়ে হিন্দু,  বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষ্য আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্ধ রাখার দাবিতে মানববন্ধন ও রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষ্য আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্ধ রাখার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা অজিতানন্দ মহাথেরো, বিপ্লবী ওয়ার্কর্স পার্টি, রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জননেতা জুঁই চাকমা, রাঙামাটি জেলা আইনজীবি সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি সিনিয়র আইনজীবি এডভোকেট শাহ্ আলম, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল রাঙামাটি জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সহ সভাপতি রবি বড়ুয়া। বক্তারা এসময় পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়য়া জনগোষ্ঠীকে অনগ্রসর জনগোষ্ঠী বা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী হিসাবে সরকার কর্তৃক গঠিত হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষ্যে আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্ধ রাখার দাবির পক্ষে সরকারের নীতি নির্ধারকদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির দাবির সাথে একাত্ত্বতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন।মানববন্ধন অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অপু বড়ুয়া। মানববন্ধন শেষে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষ্য আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্ধ রাখার দাবিতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে প্রদত্ত স্মারকলিপি গ্রহন করেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা অজিতানন্দ মহাথেরো, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি শিক্ষক পংকজ কুসুম বড়ুয়া, পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার বুলবুল চৌধুরী, সহ সভাপতি রবি বড়ুয়া, নয়ন বিকাশ বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক অপু বড়ুয়া, অর্থ সম্পাদক ডা. প্রকাশ চৌধুরী বড়ুয়া, যুব বিষয়ক সম্পাদক তেমিয় বড়ুয়া, কাউখালী উপজেলা কমিটির সভাপতি সাগর বড়ুয়া, কাউখালী উপজেলা কমিটির নেতা রন্টি বড়ুয়া, সুকান্ত বড়ুয়া, সুসময় বড়ুয়া, বাবু বড়ুয়া, রাঙামাটি পৌর কমিটির সভাপতি উদয়ন বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক সনেট চৌধুরী, পৌর কমিটির নেতা বাবু বড়ুয়া ও বসু বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশই শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ে দেয়: সাঈদ আল নোমান

পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশই শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ে দেয়: সাঈদ আল নোমান

চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেছেন, প্রত্যেক শিশুই সমানভাবে জন্মগ্রহণ করে। তবে তাদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার দায়িত্ব সমাজ ও পরিবারের। সন্তান যত সুন্দর পরিবেশে পড়াশোনা করবে এবং বেড়ে উঠবে, ততই তার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে।সোমবার (১ জুন) নগরীর হালিশহরের জেপি কনভেনশন হলে ডিসঅ্যাডভান্টেজড পিপলস অ্যাসোসিয়েশন (ডাপা) আয়োজিত শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সাঈদ আল নোমান বলেন, সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে বাবাদেরও মায়ের ভূমিকা পালন করতে হবে। শুধুমাত্র মায়েরা সন্তানকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে গিয়ে অনেক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়েন। পরিবার গঠনে বাবারও সমান দায়িত্ব রয়েছে। এজন্য শিক্ষা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা জরুরি।সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন এগিয়ে নিতে সহায়তার লক্ষ্যে ডাপা এ কর্মসূচির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর।সংস্থার সভাপতি কাজী মো. শাহ কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এসকে খোদা তোতন, চবি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এম আর চৌধুরী মিল্টন, নগর বিএনপির সদস্য মোশাররফ হোসেন ডিপ্টি, পাহাড়তলী থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জিয়া এবং মহানগর ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ আরিফুর রহমান মিটুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল-বাংলাদেশ (টিএলএমআই-নিউজিল্যান্ড)-এর সহযোগিতায় এবং ‘স্থিতিস্থাপক ডাপা’র জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রাম মহানগরীর ২৮০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সামগ্রীর পাশাপাশি ৩০০ টাকা এবং মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সামগ্রীর সঙ্গে ২ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়।প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাঈদ আল নোমান বলেন, শিক্ষা একটি মৌলিক অধিকার এবং শিক্ষার প্রসারে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডাপার এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলোর জন্য সহায়ক হবে।সভাপতির বক্তব্যে কাজী মো. শাহ কামাল বলেন, ডাপা দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ করে আসছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার অঙ্গীকার অব্যাহত থাকবে।অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা বলেন, এ সহায়তা তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহ জোগাবে এবং শিক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে। তারা ডাপার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।নিগার সুলতানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংস্থার কোষাধ্যক্ষ নাসিমা আক্তার, ম্যানেজার মো. আবুল কালাম ভূঁইয়া এবং এডমিন অফিসার রিয়াজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে ডাপার কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

বাঁচতে চাই ছয় বছর বয়সী আবীর: সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন বাবা -মা

 চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ছয় বছর বয়সী শিশু আবীর দেবনাথ মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলার আশা দিলেও, তার দিনমজুর বাবার পক্ষে সেই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই একমাত্র সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান মানুষের কাছে আকুতি জানিয়েছেন তার বাবা-মা। আবীর দেবনাথ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের শাহাব্দিনগর নাথপাড়ার রাজমিস্ত্রী শম্ভু দেবনাথের একমাত্র সন্তান। সম্প্রতি তাকে পারুয়া কাটাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু মাসখানেক আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরীক্ষায় তার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। সেই প্রায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩মসের ও বেশিদিন চিকিৎসা করেও কোনো উন্নতি হয়নি। তাই ডাক্তাররা বলেছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ইন্ডিয়াতে নিয়ে গেলে হয়তো ভালো হবে। তাই আবিরের পাসপোর্ট বানাতে ও চিকিৎসার খরচ যোগাড় করতে খেয়ে যাচ্ছেন দিনমজুর বাবা। আবীরের বাবা শম্ভু দেবনাথ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন দিনমজুর, সারাদিন কাজ করে যা আয় করি তা দিয়ে সংসারই চলে না। ছেলের চিকিৎসার জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, তা আমি কীভাবে জোগাড় করব? আমার একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে আমি সবার কাছে সাহায্য চাই। সবে ভর্তি হয়েছিল প্রথম শ্রেণিতে, ক্যান্সার কেড়ে নিচ্ছে আবীরের শৈশব ছেলের অসুস্থতার খবরে মা প্রায় বাকরুদ্ধ। তিনি জানান, তাদের এখন আর ছেলেকে নিয়ে কোনো স্বপ্ন নেই, শুধু তাকে বাঁচিয়ে রাখাই একমাত্র চিন্তা। সমাজের মানবিক মানুষের সামান্য সহযোগিতাই পারে শিশু আবীরের জীবন রক্ষা করতে। আবীরকে সাহায্য পাঠানোর জন্য: বিকাশ নম্বর (পার্সোনাল): ০১৮৭৬-৩৯০৮৪৭ *যোগাযোগের জন্য: ০১৬২২-৩০৯১৩৭

অনলাইন জরিপ
১১ আগস্ট ২০২৫, ০১:৫০ এএম
ঢাবিতে হল রাজনীতি বন্ধের দাবিতে মধ্যরাতে মিছিল করছে শিক্ষার্থীরা। আপনি কী চান?

ঢাবিতে হল রাজনীতি বন্ধের দাবিতে মধ্যরাতে মিছিল করছে শিক্ষার্থীরা। আপনি কী চান?

  হল রাজনীতি চলুক
  হল রাজনীতি বন্ধ হোক
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২৬ জন